বাংলাদেশের ষড়ঋতু রচনা- ২০ পয়েন্ট (ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির জন্য)
বাংলাদেশের ষড়ঋতু রচনা নিয়ে আজকের এই প্রবন্ধ। তোমরা যারা ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীতে পড়াশোনা করছো, প্রত্যেকের সিলেবাসে বাংলাদেশের ষড়ঋতু রচনাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
এই আর্টিকেলের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ এই রচনার ২০টি পয়েন্ট বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেছি। চাইলে পুরো রচনা তোমরা হুবহু কপি করে লিখতে পারো অথবা যে কোন পয়েন্ট থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে নিতে পারো। পোস্ট সূচিপত্রঃ
আরো পড়ুনঃ বিজয় দিবস রচনা-২০ পয়েন্ট
তাহলে চলো দেরি না করে মূল রচনাটি শুরু করা যাক।
বাংলাদেশের ষড়ঋতু
ভূমিকাঃ
সবুজে সবুজে ছয় ঋতুর মায়ায় আমাদের এই বাংলাদেশ। সংগীত, ছন্দ ও শিল্পপ্রিয় বাঙালিদের জন্য যেন বিশেষভাবে তৈরি এই ভুখণ্ড। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত- ঋতুতে ছয় রকম বর্ণ, পরিবেশ ও সৌন্দর্যে অনুপম এই ভুখণ্ড। তাই তো কবি বলছেন-
"ধন ধন্য পুষ্পে ভরা
আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক
সকল দেশের সেরা;
ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ,
স্মৃতি দিয়ে ঘেরা।"
ষড়ঋতুর পরিচয়ঃ
পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে চারটি ঋতু থাকে কিন্তু বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশে ঋতুর সংখ্যা ৬টি। প্রতি দুই মাস অন্তর পরিবর্তন হয়। প্রত্যেক ঋতুর আবির্ভাব বাংলাদেশের পরিবেশে স্পষ্ট প্রভাব ফেলে। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে পর অক্লান্ত বর্ষা, সাদা কাশফুল ও শিউলির মহিমায় গারো নীলাকাশের ফর সোনালী রঙে রঞ্জিত পরিবেশসহ কৃষকের হাসি হেমন্ত, তারপর সাদা কুয়াশায় হাল কাঁপানো শীতের পর আসে ফুলের ঐশ্বর্য নিয়ে বসন্ত- সব ঋতুই যেন শিল্পীর হাতে গড়া শিল্প।
গ্রীষ্ম- বৈশাখ-জৈষ্ঠ্যঃ
বাংলাদেশে গ্রীষ্ম প্রবেশ করে সুর্যের প্রবল দাবদাহ নিয়ে। স্বাগত জানায় রংবেরঙ্গের অসাধারণ স্বাদের ফলমূল- আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, লটকন ইত্যাদি নিয়ে। তবে এ সময় মাঠ-ঘাট-পথ,প্রান্তর, নদী-নালা-খাল-বিল সবকিছুই কেমন জানি মৃতপ্রায় হয়ে যায়। কৃষ্ণছুড়া, সোনালু, জারুল বেগুনীর অদ্ভুদ রূপ দেয়।
হঠাৎ আকাশের এক কোণে কালো মেঘ জমা বাঁধতে শুরু করে। দেখতে না দেখতেই খুব অল্পক্ষণে শুরু হয়ে জায় প্রচন্ড বৃষ্টি আর ঝড়। যাকে আমরা কালবৈশাখী নামে চিনি। এই কালবৈশাখীতেই শুরু হয়ে জায় ছোটো ছোটো ছেলে মেয়েদের আম কুড়ানোর ধুম। এভাবেই বাংলাদেশের গ্রীষ্মের মৌসুম পাড় হয় হঠাৎ ঝড় আর আম কুড়ানোর মজায়, সাথে সাথে রসাল বিভিন্ন স্বাদের ফলের উৎসবে।
বর্ষা- আষাঢ়-শ্রাবণঃ
গ্রীষ্মের অসহ্য তাপকে বিদায় যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় বর্ষা। একবার বৃষ্টি শুরু হলে ঘন্টার পর ঘন্টা চলতে থাকে। এমনকি আগে গ্রামে এবং এখনো কিছু কিছু জায়গায় একটানা ২-৩ দিন আবার ১ সপ্তাহও বৃষ্টি চলেছে। পুকুরের-নদীতে-খালে-বিলে পানি থৈ থৈ করতে থাকে। এ মৌসুম পুরোটাই যেন জেলেদের জন্য।
আরো পড়ুনঃ শ্রমের মর্যাদা রচনা- ২৫ পয়েন্ট
কারণ একবার নদীতে জাল ফেললে হুর হুর করে প্রচুর দেশীয় মাছ উঠে আসে। এছাড়া গাছে গাছে কদম্ব, যুঁথী, কেয়া ফুটে উঠে, গন্ধে ভেসে যায় রাস্তা-ঘাট, বাগান। এই বিশেষ পরিবেশের জন্যই হয়তো এই ভুখণ্ডে খিচুড়ি, পাকোরা, লুচি ইত্যাদির প্রচলন আছে। এগুলো খাবার উপভোগ করতে করতে বর্ষার অনান্দ উপলব্ধি করে বাঙ্গালীরা। তবে বর্ষা একটি বড় নিয়ামত হলেও এটি সবসময় আমাদের সবার জন্য উপকার হয়ে আসে না।
এ সময় উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে দেখা যায় বন্যা ও প্লাবন, যা সেখানকার ফসল ক্ষেত নষ্টসহ আর্থিক ও শিক্ষা জীবনে অনেক সমস্যা আনে। এছাড়াও শহরাঞ্চলে পানি ভরাটের সমস্যা দেখা যায়। যা এখানকার ভাসমান ও দরিদ্র শ্রেণির জীবনে অনেক জটিলতা সৃষ্টি করে। এছাড়াও যানবাহনের সমস্যা তৈরি হয়।
শরৎ- ভাদ্র-আশ্বিনঃ
গাঢ় নীল আকাশে তুলোর মতো সাদা মেঘের ভেসে বেড়ানোর মনরোম দৃশ্য শুধুমাত্র বাংলার বর্ষায় দেখা যায়। সাদা শুধু আকাশেই না বরং নদীর ধারের কাশফুলও গাঢ় নীল পানির উপর সাদা আভা দেয়, যা বাংলার সাদা-নীল দৃশ্য আরও ফুটিয়ে তোলে। শিল্পীরা এই দৃশ্য আকার জন্যই অপেক্ষায় থাকে সারা বছর। শিল্পীগণ ছাড়াও বাংলার কবিদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে শরৎকাল।
হেমন্তকাল- কার্তিক-অগ্রহায়ণঃ
হেমন্তের কথা বললেই মনে ভেসে ওঠে এক সোনালি পরিবেশের ছবি। মাঠে-ঘাটে ধানের সোনালি রঙের বন্যা বয়ে জাওয়ার জন্য এই মৌসুম শিল্পীদের সাথে সাথে সাধারণ মানুষদের খুব প্রিয়। তবে এই ঋতুর রাজা কৃষকেরা। ধানের মিষ্টি পাকা গন্ধে যখন পুরো পরিবেশ ভরে যায়, তখন কৃষকেরা শুরু করে তাদের সবচেয়ে আনন্দের কাজ- ধান কাটা।
আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশের নদ নদী রচনা-২০ পয়েন্ট
ধান কেটে মাড়াই করে শুকিয়ে তা ভানিয়ে ঝাড়াই ও বাছাই করতে করতে ২-৪ দিন লেগে যায়। গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসবের ধুম পড়ে যায়। নতুন চালের তৈরি পিঠাপুলি, পায়েস এই উৎসবের আয়োজন। কৃষকের সারা বছরের ফলাফল এই মৌসুমে পাওয়া যায় দেখে এর জন্যে গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে গ্রামীন বাসী।
শীতকাল- পৌষ-মাঘঃ
বাংলাদেশ শীতপ্রধান দেশ না হলেও এর কনকনে শীত সবাই টের পায়। প্রকৃতি থেকে শুরু করে এখানকার পশু-পাখিও যেন থর থর করে কাঁপতে থাকে। ঘন কুয়াশার চাদরে জড়িয়ে পড়ে। ফেব্রুয়ারি মাসে এরই শিশির ভেজা লতা-পাতা-ঘাসের উপর হেঁটে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে যাই আমরা।
সকালের নরম গায়ে পড়লে যেন সব দুঃখ-কষ্ট উজাড় হয়ে যায়। মুঝে তৃপ্তির হাসি ফুটে ওঠে।গ্রামগঞ্জে খেজুর সংগ্রহের কাজ চলে। সকালে উঠে একটু হলেও সবাই আগুনের কাছে বসে একটু উত্তপ্ত হয় বা রোদ পোহায়। এ সময় পিঠাপুলি খাওয়ার উৎসব শুরু হয়। এছাড়াও বাদ যায় না, বিভিন্ন শাক-সবজি।
বসন্তকাল- ফাল্গুন-চৈত্রঃ
বাংলাদেশের ঋতুরাজ বসন্ত। এ সময় ফুলে ফুলে ভরে ওঠে প্রকৃতি। কোন রং বাদ যায় না- লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, গোলাপি, বেগুনি ইত্যাদি রং পরিবেশকে করে তোলে আরো চমৎকার। না কোন দুর্যোগ, না কোন হয়রানি। বাংলার প্রাণ যেন ফিরে আসে এই বসন্তের মাধ্যমে। বাঙালির সংগীত প্রিয় চিত্তে এক অমূল্য স্থান দখল করে নেয়। চৈত্রের মাধ্যমে সমাপ্তি হয় বাংলা বছরের। আবার বর্ষবরণের মাধ্যমে শুরু হয় বৈশাখ।
ষড়ঋতুর বৈচিত্র ও প্রভাবঃ
বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ষড়ঋতুর বৈচিত্র। এর মধ্যে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, কৃষি, সাহিত্য ইত্যাদিতে অমূল্য প্রভাবে রেখেছে। এছাড়াও বাংলার পরিবেশে এর প্রভাব ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা যায়। বাংলার বৈশিষ্ট্য আলাদাভাবে চিহ্নিতকরণে ষড়ঋতুই সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম।
অর্থনীতিতে ষড়ঋতুর প্রভাবঃ
ষড়ঋতুর নিখুঁত চক্রের বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক জীবিত। দের পর হেমন্ত নয় সে বর্ষা আসলে সম্ভব হতো না হলে এক রকমের গাছগাছালি ফলানোর। বাংলার জলবায়ু যেভাবে একেকটি ঋতুর উপর প্রভাব রাখে সে কারণে শীতের সময় অনেক রকম শাকসবজি হয়। সারা বছর নানা রকম ফুলে ভরে থাকে বাংলার প্রকৃতি।
বর্ষার অক্লান্ত বৃষ্টির কারণে সেচের সুবিধাসহ বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান মাছ চাষ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড কৃষি, অথচ অথচ এই কৃষি ধ্বংস হয়ে যেত যদি না ষড়ঋতুর প্রভাব এত দৃঢ় হতো।
সংস্কৃতিতে ষড়ঋতুর প্রভাবঃ
বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে ষড়ঋতুর এক ধরনের গভীর মায়া রয়েছে। গ্রীষ্মের ফল উৎসব, কালবৈশাখী ও দাবদাহ গড়ে তোলা আমাদের ফল প্রিয় বৈশিষ্ট্য ও গ্রামীণ নারীদের মেঘ দেখে আবহাওয়া বলে দেওয়ার দক্ষতা। বর্ষায় বিভিন্ন ফুলের সাথে নৌকা বাই ও বৃষ্টির গান বৈচিত্র আনে সংস্কৃতিতে। সাদা কাশফুল ও মেঘ ভরা শরৎ মনে আমাদের আনন্দ জাগিয়ে তোলে।
আরো পড়ুনঃ দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা-২০ পয়েন্ট
নতুন ধান কাটার উপলক্ষে পালিত নবান্ন উৎসব এবং পিঠাপুলি বানানোর জন্য খেজুরের রস সংগ্রহ করার ধুম হেমন্ত ও শীতকালে হয়ে থাকে। ফুলেফলে প্রকৃতির সাজ নিয়ে আসে বসন্ত। এই ছয়টি ঋতুর কারণে আমাদের সংস্কৃতিতে অনেক বৈচিত্র্যতা লক্ষ্য করা যায়। এর জন্য আমাদের জীবন কৃষিভিত্তিক ও নদীকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। এর সবকিছুই আমাদের সংস্কৃতি।
সাহিত্যের ষড়ঋতুর প্রভাবঃ
ষড়ঋতুর প্রভাব শুধু বাংলার প্রকৃতিতেই নয়, পরম কবি ও লেখকদের হৃদয়ের পাঠকদের মনে এক গভীর প্রভাব রেখেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ-সকলেই মন মুগ্ধ আমাদের বাংলার প্রকৃতিতে। বিদেশী সাহিত্যিক গণও তাদের বিস্ময়তা প্রকাশ করেছেন আমাদের ষড়ঋতু নিয়ে।
জিম করবেট, বিশপ রেজিনাল্ড হিপার, জেমস টেলর- বাংলা প্রকৃতিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তাদেরই মাধ্যমে রচনা হয়েছে ছিন্নপত্র, রূপসী বাংলা, আরণ্যক, পল্লী প্রকৃতি, The Bengal Peasant Life, Travels India ইত্যাদি।
প্রকৃতিতে ষড়ঋতুর প্রভাবঃ
ষড়ঋতুর জন্য বাংলার প্রকৃতিতে এরকম নিঁখুত আবহাওয়া। গ্রীষ্মের প্রচন্ড রোদের পর বর্ষার ঝর্ণা, এটিই যেন বাংলার উপযুক্ত আবহাওয়া। হেমন্তের সোনালি ধান ওঠার পর শীতের খেজুরের রসের পিঠাপুলি, হেমনের পর যেন শীতই উত্তম। বসন্তের ফুলের পর গ্রীষ্মের ফল, এভাবে উদাহরণ দিতে গিলে কতগুলো মাথায় চলে আসে! কারণ এভাবেই বাংলার প্রকৃত নিজেদেরকে সাজিয়েছে নিঁখুতভাবে।
ঋতুবৈচিত্র্যের অবক্ষয়ঃ
একটু লক্ষ্য করলেই আমরা বুঝতে পারব যে, বাংলার ঋতুবৈচিত্র্যের সৌন্দর্য ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হচ্ছে। এই বিলুপ্তির দোষ মানুষেরই, বিশেষ করে আমাদের। পরিবেশ দুষণের মাত্রা যত বাড়ছে জলবায়ু তত পরিবর্তন হচ্ছে। আগে যেমন বিভিন্ন ঋতুর আগমন খুব সহজে টের পাওয়া যেত, এখন আর তেমনভাবে বোঝা যায় না। বর্ষায় আগের মত বৃষ্টিপাত দেখা যায় না।
উত্তর অঞ্চলে বর্ষার প্রভাব যেমন কমছে, তেমনিভাবে দক্ষিণ অঞ্চলে বাড়ছে এর প্রভাব। যার মাধ্যমে এক অসমঝতা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও গ্রীষ্মের সময় বেশি গরম এবং শীতের সময় বেশি শীত আসে। যা ঋতু বৈচিত্র্যের অবক্ষয়ের প্রতিচ্ছবি।
ঋতুগুলোর অবক্ষয় প্রতিরোধের উপায়ঃ
আমরা যদি বুঝতে পারি কেন আমাদের ঋতুর অবক্ষয় হচ্ছে তাহলে আমরা এর সমাধান খুব সহজে করতে পারবো। মূলতঃ পরিবেশ দূষণের কারণে এরকম সমস্যার দেখা দিয়েছে। তাই ঋতুগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রথমেই সংরক্ষণ করতে হবে প্রাকৃতিক পরিবেশ। জনবহুল এই বাংলাদেশকে বায়ু, পা্নি, মাটি, শব্দ ইত্যাদি দূষণমুক্ত করতে হবে। শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন এনজিও সরকারি সংস্থা পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারে।
জনসচেতনতার মাধ্যমে ও বৃক্ষরোপনের মধ্য দিয়ে শুরু করা যেতে পারে এই পদক্ষেপ। এরপর বিভিন্ন সেমিনার, আলোচনা সভা, পোস্টার ও পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন, মানববন্ধন ইত্যাদি করা যেতে পারে। এর জন্য আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণের উপায় গুলো জানতে হবে এবং নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে।
উপসংহারঃ
পরিশেষে বলা যায়, ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। এখানকার প্রত্যেকটি ঋতুই বাংলার প্রকৃতিতে বয়ে আনে অসম্ভব মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। এই ঋতুতে গড়ে ওঠা বাঙালিদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা শক্তি অতুলনীয়। কিন্তু দিন দিন আমাদেরই অসাবধানতার কারণে এত মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে যাচ্ছে। এই সংরক্ষণের জন্য আমাদের নিতে হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সমূহ। সচেতন হতে হবে প্রত্যেক বাঙালি সন্তানকেই।

passiondrivefiona র নীতিমালা মেনে comment করুন। প্রতিটি comment রিভিউ করা হয়;
comment url