ছাত্র জীবন রচনা- ২০ পয়েন্ট (ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর জন্য)

ছাত্র জীবন ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা। তোমরা অনেকেই এই রচনাটি পড়ে থাকবে।  তোমরা যারা গতানুগতিক রচনা লেখার বাইরে একটু ইউনিক ভাবে এই রচনাটি লিখতে চাও, তাদের জন্য আজকের ছাত্র জীবন রচনা অনেকপকারে আসবে আশা করি।

ছাত্র-জীবন-রচনা

তাহলে চলো দেরি না করে ছাত্র জীবন রচনাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে নাও।

                                   ছাত্র জীবন রচনা


ভূমিকাঃ ছাত্র জীবন হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সময়। ছাত্ররা সমাজের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ, প্রগতির অগ্রদূত ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা। এই ছাত্র জীবন শুধু ছাত্র-ছাত্রীরই নয়, বরং দে্‌ জাতীয় সভ্যতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই ছাত্র জীবনকে অবহেলা করা ঠিক না। এই জীবনে কিছু দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে যেগুলো মেনে চললে একজন ছাত্র তথা সেই মানুষটি হয়ে উঠবে জাতির সাফল্যের স্তম্ভ।

ছাত্র জীবনঃ ছাত্র জীবন একজন মানুষের মূল্যবান সময়। মূলতঃ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যাশিক্ষা থেকে কর্ম ও সংসার জীবনে প্রবেশ করার আগের জীবনের অংশটুকু কে ছাত্র জীবন বলে আখ্যায়িত লাভ পায়। বৃহত্তর অর্থে যে কোন মানুষের পুরো জীবনটাই ছাত্র জীবন। একজন জ্ঞানী ও জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি আজীবন ছাত্র থাকে।

ছাত্র জীবনের মূল্যঃ কর্মজীবনে প্রবেশের সোপান হচ্ছে ছাত্র জীবন। ছাত্র জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতার উপর অনেক অংশে কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ জীবন নির্ভর করে। ছাত্র জীবনকে এই কারণে চারা গাছের সাথে তুলনা করা হয়। এ সময় যে বৃক্ষ রোপন করা হয়, সেই বৃক্ষই পরবর্তীতে ফল দেয়, ছায়া দেয়, ফুল দেয়, এ কারণে এই রোপনকালীন সময়ের জন্য দরকার সুষ্ঠু পরিচর্যা। ঠিক তেমনি ছাত্র জীবনের এই অধ্যায়টি উন্নত জীবন গঠনের উপযুক্ত সময়। এ কারণে ছাত্র জীবন থেকেই শুরু করতে হয় ভবিষ্যৎ জীবনের কঠিন বাস্তবতা মোকাবেলার প্রস্তুতি।

ছাত্র জীবনের উদ্দেশ্যঃ বলা হয়ে থাকে---

                                            " ছাত্রনং অধ্যয়নং তপঃ"

অর্থাৎ অধ্যয়নই হচ্ছে ছাত্রদের একমাত্র তপস্যা।


ছাত্র জীবনের প্রধান ও প্রথম লক্ষ্য হলো অধ্যায়ন ও জ্ঞান অর্জন। তবে, এক্ষেত্রে মনে হতে পারে জ্ঞান মুখস্ত করার মধ্য দিয়ে ছাত্র জীবনের উদ্দেশ্য সম্পন্ন হয়। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। জ্ঞান অর্জন করে সে জ্ঞানকে বাস্তবে কাজে লাগানোই ছাত্র জীবনের মূল উদ্দেশ্য। তবে এই উদ্দেশ্য ছাড়াও, আরো কিছু লক্ষ্য রয়েছে ছাত্র জীবনে। একজন সুযোগ্য ও মহৎপ্রাণ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার মধ্যেই ছাত্র জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। চরিত্রবান, আত্মবিশ্বাসী, নম্র-ভদ্র, বিনয়, সমাজসেবী প্রকৃত গুণও ছাত্রদের অর্জন করতে হয়। আর এগুলো কেবল কঠোর সাধনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন করা যায়।

অধ্যয়নঃ ছাত্ররাই দেশের ভবিষ্যৎ স্তম্ভ ও জাতির আশা ভরসার স্থান। ছাত্রদের অর্জিত জ্ঞানের উপরই নির্ভর করে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রকৃতি। এজন্য চাই সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত লেখাপড়া। পরা বোঝা এবং সঠিকভাবে বলে বা লিখে প্রকাশ করতে পারায় লেখাপড়ার প্রাথমিক উদ্দেশ্য। তবে এক্ষেত্রে কোন কোন ছাত্র মুখস্ত করে এ লক্ষ্য অর্জন করার চেষ্টা করে, যা নিতান্তই বোকামি। অবশ্যই যা অধ্যয়ন বা পড়া হবে তা বুঝতে হবে এবং বাস্তবের সাথে মিলিয়ে সেই হিসেবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে এই কথাটি চলে আসে যে একজন ছাত্রকে যেমন মৌলিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে তেমনি সময়োপযোগী বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তি  জ্ঞানও শিখতে হবে। তা না হলে একজন ছাত্র আদর্শ নাগরিক রূপে গড়ে উঠতে সফল হবে না।

আরো পড়ুনঃ দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান-২০ পয়েন্ট

নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলাঃ অতি জ্ঞানী মানুষ ও অনিয়ম ও বিশৃঙ্খল জীবন যাপন করলে সমাজে সে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে না। সফলতার সিঁড়ির প্রথম ধাপি শৃঙ্খলা। এই শৃঙ্খলা শেখা যায় মা-বাবা এবং স্কুলের শিক্ষকের কাছ থেকে। কারন তারা হলেন ছাত্রের সবচেয়ে শুভাকাঙ্ক্ষী। এজন্য সুশৃংখল জীবন গড়ার জন্য শিক্ষক ও পিতা মাতার নির্দেশনা অনুযায়ী দৈনন্দিন জীবনযাপন পরিচালনা করা উচিত। ঘুমানোর সময় ঘুমানো, সময় মত খাবার খাওয়্‌ নিয়মিত খেলাধুলা ও প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন করা শৃংখলার মধ্যে পড়ে। এছাড়াও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, সময়মত প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়্‌ সুষ্ঠুভাবে শ্রেণী কার্যক্রম সম্পন্ন করা ইত্যাদি একজন শৃঙ্খল ছাত্রের বৈশিষ্ট্য।

সময়ানুবর্তিতাঃ নিয়মানুবর্তিতার একটি অংশ হচ্ছে সময়ানুবর্তিতা। ছাত্রদেরকে অবশ্যই সময়ের মূল্য দিতে শিখতে হবে। যে মানুষ সময়ের মূল্য দিতে পারে না তার জন্য শুধু ব্যর্থতা আর হতাশাই অপেক্ষা করে। বলা হয়ে থাকে," সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।" তাই অবশ্যই সময়ের কাজ সময়ে করা উচিত। কাজ কখনো কালকের জন্য ফেলে রাখতে নেই।

চরিত্র গঠনঃ চরিত্র গঠনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় ছাত্র জীবন। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেকে একজন চরিত্রবান ও মহৎ মানুষ গড়ে তোলার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়। সত্যবাদিতা, উদারতা , ধৈর্য , ত্যগ , সংযম , বিনয় , সততা ইত্যাদি সুগুনের অধিকারী হওয়া প্রয়োজন। ছাত্রদের মনে রাখতে হবে যে, "চরিত্র হচ্ছে মানব জীবনের মুকুটস্বরূপ" চরিত্রবান এবং মেধাবীদের আশ্চর্য লাভ ছাত্রদের জন্য বাঞ্চনীয়। এর সাথে একজন ছাত্রকে অবশ্যই কুসঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। বাংলায় একটি প্রবাদ আছে,

                                         "সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস এবং অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।"

এই কথাটি ছাত্রদের মনে প্রানে ধারণ করতে হবে।

জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণঃ কম্পাস ছাড়া যেমন সমুদ্রের জাহাজ চালানো সম্ভব নয়, তেমনি স্থির লক্ষ্য ছাড়াও জীবনে সাফল্য লাভ করা সম্ভব না। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোনই একজন ছাত্রের দায়িত্ব। নিজ মেধা শক্তি ও পছন্দের প্রতি লক্ষ্য রেখে জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা দরকার। উদ্দেশ্য থাকলে ছাত্র জীবনে পড়ালেখা সহ অনেক কাজই সহজ হয়। তখন পড়ালেখা ও ভবিষ্যৎ জীবনের পরিকল্পনা গুছিয়ে নেওয়া সহজ হয়. উদ্দেশ্যহীন শিক্ষালাপ কোন কাজে আসে না। এ কথার স্পষ্ট প্রমাণ পাই আমরা আমাদের দেশের বেকার তরুণদের দেখে। উদ্দেশ্যহীন শিক্ষা লাভই এই জটিল সমস্যার জন্য দায়ী। তাই ছাত্রদের প্রয়োজন স্বতঃস্ফূর্ততার মধ্য দিয়ে নিজ উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা। সেই সাথে প্রয়োজন নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় মনোবল।

স্বাস্থ্য রক্ষাঃ ছাত্রকে তার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা উচিত। কেননা মন সুস্থ অস্থির থাকলে পড়ালেখায় মনোযোগ দেওয়া যায়। আর মন স্থির ও সুস্থ রাখতে দরকার দেহের সুস্থতা। তাই দরকার স্বাস্থ্য রক্ষার সচেষ্টতা। পরিমিত খাওয়া-দাওয়া, নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম করার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এর সাথে স্বাস্থ্যবিধি পালন করা উচিত। দিনে দুইবার দাঁত মাজা, নিজের আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত গোসল করা ও নখ কাটা, খাওয়ার আগেও পরে, বাইরে থেকে এসে টয়লেট থেকে বের হয়ে ইত্যাদি।

ব্যায়াম ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণঃ দেহ মন সুস্থ রাখার জন্য স্বাস্থ্য পরিচর্যা ছাত্রজীবনের প্রধান কর্তব্য। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন নিয়মিত ব্যায়াম ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণ। এই অংশগ্রহণ কোন বড় মাঠে বা খেলা জায়গায় সমবয়সীদের সাথে হলে সবচেয়ে ভালো হয়। বিভিন্ন শারীরিক খেলা, যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, হ্যান্ডবল, কাবাডি ইত্যাদি যেকোনো মানুষের দলীয় কাজের ক্ষমতা \, শক্তির দক্ষতা ও নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। আবার, মন শক্তি প্রয়োজন এমন খেলাও একইভাবে মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়। তবে, ব্যায়াম শুধুমাত্র শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

সহপাঠীদের সঙ্গে প্রীতির সম্পর্কঃ সমাজ ছাড়া মানুষ চলতে পারে না। সমাজ বিচ্ছিন্ন মানুষ অন্যদের থেকে অধিকতর ভালো হতে পারে না। তাই আশেপাশে সমবয়সী যারা একই উপায়ে নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের সাথে প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। এ সম্পর্ক গড়ে ওঠে সহপাঠীদের সাহায্য করার মধ্য দিয়ে, তাদের সাথে কোন বিষয় বা সমস্যা দিয়ে আলোচনা করে, উপকার করে ইত্যাদি ভাবে।

সহ শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণঃ একজন শিক্ষার্থীর শুধু পড়ালেখাই গুন থাকে না, বরং তার গুণ বেড়ে ওঠে কতকগুলো শখ ও দক্ষতার উপর। এই সহ শিক্ষা কার্যক্রম হতে পারে বিতর্ক, গান, নাচ, আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাংকন, অভিনয় ইত্যাদি। এগুলো একজন শিক্ষার্থীকে ভালোমতো বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় বরং ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে এগুলোর ভূমিকা অনেক বেশি পরিমাণে থেকে যায়। তাই শুধু পড়াশোনা নয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন।

ছাত্র জীবনে ব্যক্তিগত দায়িত্বঃ ছাত্র জীবনের মূল উদ্দেশ্যই পড়ালেখা করে ভালো মানুষ হওয়া ও সফল হওয়া। তাই ব্যক্তিগত জীবনে একজন ছাত্রের দায়িত্ব হয় অবশ্যই তার পড়ার সময় মতো গুছিয়ে ফেলা এবং ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে চিন্তা করা ও ঘাটাঘাটি করা। তার লক্ষ্য নির্ধারণ করা। পড়ালেখার বাইরেও রয়েছে দিদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ঠিক রাখা, চরিত্র গঠন করা, নিয়ম শৃঙ্খলা সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখা। এ সময় ছাত্রের উচিত আশেপাশে মানুষের সাথে প্রীতি সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং সামাজিক হয়ে ওঠা।

আরো পড়ুনঃ শ্রমের মর্যাদা রচনা-২৫ পয়েন্ট

ছাত্র জীবনে পারিবারিক দায়িত্বঃ ব্যক্তিগত জীবনের পর সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য রাখতে হয় পারিবারিক জীবনে। বাসায় ছোট কেউ থাকলে তাকে স্নেহ ও মমতার সাথে লালন পালন করতে হয় এবং তাদের যেকোনো বিষয়ে সাহায্য করতে হয়। বড়দের করতে হয় শ্রদ্ধা ও সম্মান। এছাড়া প্রয়োজনে বড়দের পরামর্শ সব সময় কাজে লাগাতে হয়। পরিবার জীবনে কারো সাহায্য লাগলে তাকে সাহায্য করা অবশ্যই একটা বড় কর্তব্য। আর মা-বাবাকে খুশি করা ছাত্রের আরেকটি দরকারি দায়িত্ব। কোন ছাত্র যদি সফলতা চায় তাহলে তাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে গুরুজনদের আদেশ নিষেধ সফলতার চাবিকাঠি।

ছাত্র জীবনে রাজনৈতিক দায়িত্বঃ একটি দেশের কাঠামো নির্মাণ করার মূল উপাদানই হচ্ছে ছাত্র। তারাই দেশের জাগ্রত শক্তি। তাই কখনো কখনো ছাত্রদের রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের স্বাধীনতার জন্য ও সার্বভৌমত্বের জন্য এই দায়িত্ব অনেকবার দেখা গেছে। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের বাঙালি ছাত্ররা সাহসী ও সংগ্রামী। কোথাও কোন অন্যায় অবিচার তারা কখনো সহ্য করেনি এবং করবেও না। এর প্রমাণ দেখা গেছে ভাষা আন্দোলনে, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে, ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলনে, ৯০ এর স্বৈরাচার পতনে ইত্যাদি সময়ে। তাই ছাত্রদের পড়ালেখার পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকান্ড বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

উপসংহারঃ আগামী দিনের পরিচালক তারাই হবে আজ যারা পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত বিদ্যালয় যাওয়া নিয়ে ব্যস্ত। ভবিষ্যৎ সর্বদা বর্তমানের উপর নির্ভরশীল। তাই এখনকার ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠবে এটি আগামী দিনের একমাত্র ভরসা।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

passiondrivefiona র নীতিমালা মেনে comment করুন। প্রতিটি comment রিভিউ করা হয়;

comment url