ঘরে বসে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় সমূহ
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় তাও আবার ঘরে বসে। হ্যাঁ বন্ধুরা, এখন বাড়িতে থেকে google দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় জেনুইন ৮টি বৈধ উপায় ব্যবহার করে। উপায় গুলো জানতে শেষ পর্যন্ত প্রবন্ধটি পড়ুন। এছাড়া গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ আপলোড করে ইনকামের উপায় বিষয়ে জানবেন।
গুগল ব্যবহার করে টাকা উপার্জন বর্তমান সময়ের অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় উপায়। আপনি চাইলে নিয়মিত আপনার ইনকাম চালু রাখতে পারেন কিছু প্রকৃত উপায় কাজে লাগিয়ে। পোস্ট সূচিপত্রঃ
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় ব্যবহার করে সারা বিশ্ব জুড়ে হাজার হাজার মানুষ টাকা উপার্জন করছেন। তবে গুগল থেকে আয় করার জন্য সঠিক নিয়ম নীতি সম্পর্কে আপনাদের জানতে হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট কোন কাজের দক্ষতা ও যোগ্যতা ছাড়া টাকা উপার্জন করা প্রায় অসম্ভব।
আরো পড়ুনঃ ছোট ছোট কাজ করে টাকা ইনকাম করার ৬টি ওয়েবসাইট
আমরা জানি গুগল হলো বিশ্ববিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন। বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ও সমসাময়িক তথ্য জানার জন্য আমরা গুগলে সার্চ দেই। তবে এখন গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বেশ কিছু উপায় google আমাদের জন্য তৈরি করে দিয়েছে যেগুলো দিয়ে ব্যবহারকারীরা নিয়মিত টাকা উপার্জন করছেন।
প্রিয় পাঠক, আপনি কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকামের নিরাপদ কোন উপায় খুঁজছেন? তাহলে গুগল হতে পারে আপনার জন্য উপযুক্ত মাধ্যম। তাহলে আর দেরি না করে কোন কোন কার্যকর উপায় ব্যবহার করে আপনার ইনকাম শুরু করতে পারেন তা নিচের আলোচনা থেকে জেনে নিন-
গুগল এডসেন্স থেকে আয়
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথম যে উপায়টির কথা আসে তা হল গুগল এডসেন্স। কারন গুগল এডসেন্স থেকে আয় গুগল থেকে টাকা ইনকামের প্রধান উৎস বলা যায়। এই উপায়ে আপনি একটি ব্লগ ওয়েবসাইট খুলতে পারেন, যেখানে নিয়মিত তথ্যবহুল আর্টিকেল পাবলিশ করে অধিক সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন।
আপনার ব্লগে যখন প্রচুর ভিজিটর আসতে শুরু করবে তখন আপনার ব্লগ মনিটাইজ করার মাধ্যমে গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করবেন। আর এজন্য আপনার ব্লগে google এর নিয়ম অনুযায়ী বিজ্ঞাপন সেট আপ করতে হবে। সাইটে পড়তে আসা ভিজিটররা যখন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে তখন আপনি আয় করবেন।
তাই সাইটে যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি আপনার ইনকাম হতে থাকবে। আকর্ষণীয় নিশ বাছাই, সঠিক ও পর্যাপ্ত তথ্য সমৃদ্ধ আর্টিকেল ও এসইও বিষয়ে জানা ব্লগ সাইট থেকে ইনকামের জন্য অত্যন্ত জরুরী।
বর্তমানে প্রচুর ব্লগার রয়েছেন যারা তাদের সাইটে গুগল এডসেন্সের এড দেখিয়ে মাসে হাজার থেকে লাখ টাকা ইনকাম করছেন। নতুন অবস্থায় ইনকাম কম হলেও ধৈর্য ও সময় নিয়ে কাজ করলে ধীরে ধীরে ইনকাম বৃদ্ধি করা সম্ভব। চাইলে একই সাথে একের অধিক সাইট নিয়ে কাজ করা যায়। আর এভাবে আপনি google এডসেন্স থেকে আপনার প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে পারেন।
ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করে আয়
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার আরেকটি জনপ্রিয় উপায় ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ এর মাধ্যমে ইনকাম। ইউটিউব থেকে আয় শুরু করার জন্য ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত হতে হয়। এজন্য প্রথমে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে যেখানে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় নিয়ে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। এভাবে আপনার চ্যানেলের যখন মনিটাইজ করার মত সাবস্ক্রাইবার
(লং ভিডিওর জন্য ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার ও গত ৩৬৫ দিনে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম ও শর্ট ভিডিওর ক্ষেত্রে ৯০ দিনে ৩০ লাখ ভিউ) পূরন হবে তখন আপনার চ্যানেলটি মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
গুগলের সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি আপনার চ্যানেল পূরণ করলে চ্যানেলটি মনিটাইজ হবে। তখন গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে থাকবেন। বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ ও জনপ্রিয় উপায় গুলোর মধ্যে ইউটিউব মনিটাইজেশন অন্যতম।
গুগল ব্লগার থেকে আয়
ব্লগার হলো ব্লগ সাইট তৈরি করে আয় করার গুগলের একটি ফ্রি প্ল্যাটফর্ম। ব্লগার সাইট থেকে নিয়মিত মানসম্মত ব্লগ পোস্ট পাবলিশ করে ইনকাম করা যায়। এজন্য আপনার কোন রকম বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।
এজন্য আকর্ষণীয় ও সমসাময়িক নিশ নিয়ে নিজের তৈরি আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। এছাড়া ব্লগার এর জন্য গুগল এর নিয়ম নীতি মেনে চলতে হবে। নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করে সাইটে প্রচুর সংখ্যক ভিজিটর এনে আপনার সাইট গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজ করে অ্যাড দেখিয়ে ইনকাম করবেন।
তবে ব্লগার থেকে ইনকাম শুরু হতে একটু সময় লাগলেও বিনামূল্যে প্যাসিভ ইনকাম শুরু করার এটি একটি সেরা প্লাটফর্ম।
Google এফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে আয়
Google এর সুনির্দিষ্ট কিছু সেবা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্মের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে কমিশন অর্জনের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ রয়েছে। এজন্য আপনাকে এফিলিয়েট লিংক বা রেফারেল কোড ব্যবহার করতে হবে। গুগলের জনপ্রিয় দুটি সেবা হল- গুগল ক্রাউড ও Google Workspace.
এই আলাদা দুটি সেবার লিংক শেয়ার করার মাধ্যমে গ্রাহকরা গুগলের সেবা গ্রহণ করলে নির্দিষ্ট হারে কমিশন বা রিওয়ার্ড পেয়ে উপার্জন করা যায়। এছাড়া গুগল প্লে স্টোর এর বিভিন্ন কনটেন্ট বা গুগলের বই রেফার করে কমিশন অর্জন করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ জনপ্রিয় সেরা ৫০টি ডিপোজিট ছাড়া ফ্রি টাকা ইনকাম অ্যাপস
গুগল এফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে কত টাকা ইনকাম করবেন তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এটা নির্ভর করে আপনার পাঠানো লিংক বা রেফার করা কোড থেকে কতজন গ্রাহক সেবাটি গ্রহণ করছে তার উপর। তবে আপনি যে পরিমাণ ইনকাম করবেন তা সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার বা পেপালের মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।
Google থেকে সার্ভে করে আয়
গুগল থেকে সরাসরি সার্ভে করে ইনকাম করার উপায় না থাকলেও, গুগলের নিজস্ব অফিসিয়াল অ্যাপ Google Opinion Rewards ব্যবহার করে সার্ভে পূরণ করার মাধ্যমে আয় করা যায়। গুগলের এটি একটি ফ্রি অ্যাপ, যেখানে ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মার্কেট রিসার্চ, অভিজ্ঞতার বিষয়ে মতামত দিতে সার্ভেতে অংশ নিতে হয়।
অ্যাপে ছোট বড় নানা ধরনের সার্ভে রয়েছে, যেমনঃ শপিং করা বা রেস্তোরায় খাওয়ার অভিজ্ঞতা, ভ্রমণের পরিকল্পনা, বিভিন্ন বিষয়ে ইউটিউব ভিডিও বা কোন ব্র্যান্ডের নতুন পণ্য বা লোগো সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর। প্রতিটি সার্ভে করতে সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে এক বা দুই মিনিট সময় লাগতে পারে এবং সর্বোচ্চ ১ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়।
আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে সার্ভে করে গুগল প্লে কার্ড অর্জন করবেন যা দিয়ে গুগলের বিভিন্ন সেবা যেমনঃ বই, গেম বা অ্যাপ কেনা যায়। আর আইওএস ব্যবহারকারীদের সরাসরি পেপেল এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের সুযোগ থাকে।
গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে আয়
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে। গুগল ম্যাপ ব্যবহার করার মাধ্যমে গুগল থেকে সরাসরি আয় করা না গেলেও পরোক্ষভাবে আয়ের সুযোগ রয়েছে। গুগল ম্যাপ হলো গুগলের একটি জনপ্রিয় অ্যাপ। এন্ড্রয়েড ও আইওএস দুটি ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। সাধারণত গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ করে অনলাইনে পৃথিবীর যেকোনো জায়গা ও বর্তমান অবস্থা আমরা দ্রুত ও নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে পারি।
আর এই উপায় ব্যবহার করে নানাভাবে ইনকাম করা যায়।যেমনঃ
নতুন তথ্য সংযুক্ত করার মাধ্যমেঃ আপনার আশেপাশের এলাকার যে সকল দোকান বা ব্যবসা এখন পর্যন্ত গুগল ম্যাপে নেই তাদেরকে সংযুক্ত করে কমিশন পেতে পারেন। অর্থাৎ গুগল ম্যাপে নতুন তথ্য যোগ করে আয়।।
লোকাল গাইড হিসেবে অভিজ্ঞতা প্রদান করেঃ গুগল ম্যাপ দিয়ে একজন লোকাল গাইড হিসেবে যেকোন স্থানের রেস্তোরাঁর নাম, খাবারের মান ও অভিজ্ঞতা ছবি গুগল ম্যাপে সংযুক্ত করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
এসইও সার্ভিস প্রদান করেঃ যে সকল ব্যবসা এখন পর্যন্ত গুগল ম্যাপে সংযুক্ত নেই তাদেরকে গুগল বিজনেস প্রোফাইল যথাযথভাবে এসিও করার মাধ্যমে যোগ করে সার্ভিস চার্জ নেওয়ার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
ভ্রমণ গাইডলাইন তৈরি করেঃ গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে আপনার নিজের জন্য একটি ভ্রমণ গাইডলাইন তৈরি করতে পারেন, যা দিয়ে পর্যটকদের ভ্রমণ সহায়তা করে আয় করতে পারেন।
স্পনসরশিপ পাওয়ার মাধ্যমেঃ গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে যে কোন জায়গার দর্শনীয় স্থান কিংবা রেস্টুরেন্টের তালিকা সম্পর্কিত তথ্য নিজের ব্লগ বা চ্যানেলের মাধ্যমে স্পনসরশীপ পেয়ে উপার্জন করতে পারেন।
গুগল অ্যাড মব থেকে আয়
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় গুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় উপায় এটি। Google অ্যাড মব ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল অ্যাপ তৈরি করার মাধ্যমে আয় করা যায়। গুগল অ্যাড মব হল গুগলের একটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক যা অ্যাপ ডেভলপারদের তৈরি অ্যাপের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে আয় করা যায়।
এন্ড্রয়েড ও আইওএস দুই ধরনের মোবাইলের জন্য অ্যাপ তৈরি করতে পারেন। এজন্য শিক্ষনীয়, বিনোদন বা বর্তমান সময় উপযোগী যে কোনো অ্যাপ আপনার সুবিধা অনুযায়ী তৈরি করতে পারেন।অ্যাপ তৈরি করার পর google এডমবে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। একাউন্ট খোলার পর এডমব ড্যাশবোর্ডে আপনার অ্যাপটি যুক্ত করার পর যাবতীয় কার্যাবলী যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করুন।
এরপর প্লে স্টোরে বা অ্যাপ স্টোরে আপনার অ্যাপটি পাবলিশ করুন। অ্যাপ পাবলিশ করার পর যত বেশি ভিজিটর আপনার অ্যাপ দেখবে বা ডাউনলোড করবে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তত বেশি আয় হবে।গুগল এড মবের মাধ্যমে সাধারণত ইন্টারস্টিশিয়াল বিজ্ঞাপন, ব্যানার বিজ্ঞাপন বা বোনাস রিওয়ার্ড পাওয়ার মাধ্যমে আয় হয়ে থাকে।
গুগল প্লে স্টোর থেকে আয়
গুগল প্লে স্টোর ব্যবহার করে পরোক্ষভাবে গুগল থেকে আয় করা যায়। গুগল প্লে স্টোরে যে সকল ফ্রি আর্নিং অ্যাপ আমরা দেখি এই সকল অ্যাপ ব্যবহার করে ইউজাররা টাকা উপার্জন করে থাকেন। সাধারণত নানা ধরনের ছোট ছোট সহজ মাইক্রো টাস্ক সম্পূর্ণ করে এই সকল অ্যাপ থেকে পকেট খরচ চালানোর মতো ইনকামের সুযোগ রয়েছে।
আরো পড়ুনঃ কোন বিশ্বাসযোগ্য ১৫টি সাইট থেকে আসল টাকা ইনকাম করা যায়
তবে নিয়মিত সময় দিলে ও ধৈর্য নিয়ে কাজ করলে ইনকামের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এটা মূলতঃ ব্যবহারকারীর টাকা উপার্জনের ইচ্ছা ও আগ্রহের উপর নির্ভর করে। জনপ্রিয় কয়েকটি টাকা ইনকাম অ্যাপ হল- গুগল ওপেনিয়ন রিওয়ার্ড, সোয়াগবাক্স,ফ্রি ক্যাশ, ইনবক্স ডলার,মিস্ট প্লে ইত্যাদি।
গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ আপলোড করে ইনকামের উপায়
নানা ধরনের অ্যাপস (গেমিং অ্যাপস, ইউটিলিটি অ্যাপস ইত্যাদি) তৈরি করে গুগল প্লে স্টোর থেকে আয় করা যায়, যা জানলে আপনি সত্যিই অবাক হবেন। এক্ষেত্রে কোডিং বা কোডিং ছাড়া অ্যাপ যেকোনো অ্যাপ তৈরি করতে পারেন। এরপর google প্লে কনসোলে একটি ডেভলপার একাউন্ট তৈরি করে অ্যাপটি আপলোড করুন।
এ সকল অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে আপলোড করে গুগল অ্যাড মব থেকে উপার্জন ছাড়াও আরো কয়েকটি কার্যকর উপায়ে আয় বৃদ্ধি করা যায়। অনেক অ্যাপ ডেভলপার এখন নিজের ইনকাম বৃদ্ধির চেষ্টায় এই উপায়গুলো কাজে লাগিয়ে থাকেন। যেমনঃ
- প্লে স্টোরে অ্যাপ আপলোড করে ইন অ্যাপ পারচেজ এর মাধ্যমে আয়। অর্থাৎ অ্যাপের ভিতরে কেনাকাটার ব্যবস্থা করে আয়। এই উপায়ে বিশেষ করে গেমিং অ্যাপস গুলোতে গেমের জন্য কয়েন, বিশেষ পোশাক ও অস্ত্র, অন্যান্য প্রিমিয়াম টুলস অ্যাপ ব্যবহারকারীরা ক্রয় করলে অ্যাপ ডেভলপাররা আয় করেন।
- কোন ইউজার যখন প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন তখন নির্দিষ্ট পরিমাণে ফ্রি পরিশোধ করতে হয়। এই উপায়ে ভালো পরিমান আয়ের সুযোগ রয়েছে।
- বিশেষ ধরনের অ্যাপ google প্লে স্টোরে আপলোড করে মাসিক বা বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন ফি গ্রহণের মাধ্যমে আয় করা যায়। যেমনঃ নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর প্রিমিয়াম ভিডিও, বিশেষ কোনো নিউজ পোর্টাল ইত্যাদি। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এটা অডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ হতে পারে।
গুগল দিয়ে কিভাবে ইনকাম করবেন?
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে উপরে আমরা জেনেছি। অর্থাৎ Google দিয়ে কিছু বিশ্বস্ত উপায় ব্যবহার করে আয় করা যায়। গুগল থেকে আয় করার জন্য প্রথমে আপনাকে সুনির্দিষ্ট উপায় নিজের জন্য বাছাই করতে হবে, যে উপায়টি সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা আছে এবং ওই বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী। আপনি যদি আপনার জন্য উপযুক্ত উপায় বেছে নিতে পারেন তাহলে গুগল হতে পারে আপনার টাকা ইনকামের প্রধান উৎস।
- গুগল এডসেন্স থেকে আয়
- ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করে আয়
- গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে আয়
- গুগল এডমব ব্যবহার করে আয়
- নানা ধরনের কার্যকর অ্যাপ তৈরি করে আপলোড করে আয়
- গুগলের ফ্রী ব্লগ প্ল্যাটফর্ম ব্লগার সাইট ব্যবহার করে আয় ইত্যাদি।
গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করা যায়?
- ব্লগ সাইটে নির্দিষ্ট বিষয়ে মানসম্মত আর্টিকেল পাবলিশ করে বা লেখালেখি করার মাধ্যমে। এজন্য ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস যেকোনো সাইট ব্যবহার করতে পারেন।
- একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে আকর্ষণীয় ভিডিও আপলোড করে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ভিডিওর মাঝখানে গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে।
গুগল এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় হয়
- সাধারণত নতুন সাইট বা চ্যানেলের তুলনায় পুরাতন সাইটগুলো থেকে বেশি আয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যেখানে নতুন সাইট থেকে মাসে ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা ইনকাম হলেও লেগে থাকলে পুরাতন সাইটে ইনকাম বেড়ে অন্তত ১০ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
- ব্লগ সাইট বা ইউটিউব চ্যানেলের কন্টেন্টের বিষয়বস্তু আয়ের উপর বিশাল প্রভাব ফেলে। যেমনঃ সাধারণ ব্লগের তুলনায় প্রযুক্তি অথবা ফিন্যান্স বিষয়ক ব্লগে আয়ের পরিমাণ বেশি।
- সাইটের ভিজিটর ও চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা, ভিউ যত বেশি হবে আয় তত বেশি।
- দেশভিত্তিতে আয় এর পরিমাণ কম বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য বা ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পায়ের পরিমাণ অনেক বেশি। যেহেতু এই সকল দেশে বিজ্ঞাপনের জন্য বেশি টাকা বরাদ্দ থাকে।
ঘরে বসে কিভাবে টাকা আয় করা যায়
- দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে আয়
- এফিলিয়েট মার্কেটিং অথবা ড্রপ শিপিং ব্যবসা করে আয়
- লেখালেখির মাধ্যমে নিজের ব্লক সাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করে আয়
- ভিডিও কনটেন্ট শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব চ্যানেল খুলে আয়
- এফ কমার্সের মাধ্যমে নিজের তৈরিকৃত পণ্য বিক্রি বা অনলাইন ব্যবসা করে আয়
- অনলাইনে হোম টিউটরিং এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে আয়
- ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজ করে আয়
- নিজের তোলা ছবি স্টক ফটোগ্রাফি সাইটে বিক্রি করে আয় ইত্যাদি।

passiondrivefiona র নীতিমালা মেনে comment করুন। প্রতিটি comment রিভিউ করা হয়;
comment url