১০টি সেরা ফ্রি ডলার ইনকাম সাইট - ডলার ইনকাম ফ্রি অ্যাপস
আপনি কি ফ্রি ডলার ইনকাম সাইট ব্যবহার করে অনলাইনে ডলার ইনকাম করতে চান? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এই প্রবন্ধে ১০টি সেরা ডলার ইনকাম সাইট সম্পর্কে জানতে পারবেন। এছাড়া ডলার ইনকাম করার ফ্রি অ্যাপস বিষয়ে জানতে পারবেন।
যেহেতু এখন ঘরে বসে থেকে অনলাইনে ফ্রিতে ডলার ইনকাম করা যায়, তাই আমরা সবাই চাই অনলাইনে কাজ করে ডলার ইনকাম করতে। ডলার ইনকাম করা যায় এমন সাইট অনলাইনে প্রচুর রয়েছে তবে আজকে আমরা সেরা কয়েকটি সাইট ও অ্যাপ সম্পর্কে আপনাদের জানাবো।পোষ্ট সূচিপ্ত্রঃ
তাহলে চলুন দেরি না করে মূল আর্টিকেলটি শুরু করা যাক।
ফ্রি ডলার ইনকাম সাইট
Hostinger.com
Hostinger.com হল ডিজিটাল দুনিয়ায় সারা বিশ্বব্যাপী ডোমেইন-হোস্টিং সেবা প্রদানকারী ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যতম সেরা একটি প্ল্যাটফর্ম। এই সাইট থেকে গ্রাহকরা ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য ডমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করে থাকে। তবে যে কেউ এই সাইট থেকে নিজের জন্য কিছু সহজ কাজ করার বিনিময়ে ইনকাম জেনারেট করে নিতে পারেন।
Hostinger.com থেকে ইনকাম করার জন্য প্রথমে আপনাকে এই সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এজন্য আপনার পিসির যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে হোস্টিংগার ডট কম নাম লিখে সার্চ দিতে হবে। তারপর ক্লিক করে সাইটে প্রবেশ করতে হবে।
তারপর আপনার একটি জিমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন এর কাজ সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হলে আপনি লগইন করে পরবর্তী পেজে যেতে পারবেন। আর যদি আপনার আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে শুধুমাত্র লগইন করে নিলেই হবে।
লগইন করার পর আপনারা এইচ প্যানেল নামে একটি ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করবেন। এখানে আপনারা উপরে ডানপাশে "Refer & Earn UpTo $230" অপশন দেখতে পাবেন। মানে এই অপশন থেকে আপনি রেফার করে ২০০ ডলার আয় করতে পারেন অথবা প্রতি রেফারে 230 ডলার পেতে পারেন। মানে এখান থেকে আপনি শুধুমাত্র রেফার করে ৩০ হাজার টাকার মত আয় করে নিতে পারেন।
রেফার এন্ড আর্ন আপ টু ২৩০ ডলার অপশনে ক্লিক করার পর আপনারা invite friends & earn up to $230 এখানে ক্লিক করে আপনার মূল কাজটি শুরু করতে পারবেন। কারণ এখানে ক্লিক করার পর পরেই আপনি একটি কপি লিংক পাবেন, এই কপি লিংকটি আপনি সরাসরি কপি করতে পারেন অথবা নিচে আরেকটি অপশন পাবেন সেখান থেকেও কপি করতে পারেন। প্রতি রেফারের জন্য আপনি ২০ ডলার থেকে শুরু করে আপ টু ৬০ ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। শুধু তাই নয় আপনি যাকে রেফার করবেন তিনিও ২০ ডলার বোনাস হিসেবে পাবেন।
Swagbucks
Swagbucks হল আরেকটি জনপ্রিয় ডলার ইনকাম সাইট। এই সাইট থেকে দীর্ঘদিন যাবত ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের কাজ করে আয় করছেন। বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে এই সাইট থেকে চাইলে ইনকাম করা যায়। সাইটের কাজগুলো দক্ষতা বিহীন ও সহজ। বিশেষ করে সার্ভে করে ইনকাম সাইট গুলোর মধ্যে এটি হলো অন্যতম জনপ্রিয় সাইট।
আপনি আপনি চাইলে বিনামূল্যে এই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে ডলার ইনকাম শুরু করতে পারেন। সাইটে- মতামত দিয়ে, কেনাকাটা করে, গেম খেলে, ভিডিও অ্যাড দেখে, অ্যাপ ডাউনলোড করে এসবি পয়েন্ট অর্জন করতে হয়।
আপনি যদি নিয়ম মেনে ও ধৈর্য দিয়ে কাজ করতে পারেন তাহলে প্রতিদিন এই সাইট থেকে অন্তত ৫ ডলার ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ বাংলাদেশে টাকায় প্রায় ৭৫০ টাকার মতো। সাইটের পেমেন্ট সিস্টেম এর মধ্যে রয়েছে পেপেল সহ বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার।
Freecash
Freecash অনলাইনে ডলার ইনকাম করার আরেকটি সেরা সাইট। এটি একটি ট্রাস্টেড জিপিটি ( GPT- Get Paid To) সাইট। আমরা অনেকেই হয়তো এই সাইটের নাম শুনে থাকবো। তবে আপনি যদি এখনো সন্ধিহান থাকেন তাহলে আমি বলব নিশ্চিন্তে এই সাইটে আপনার একটি একাউন্ট ক্রিয়েট করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করে সাইটে থাকা কাজগুলো করতে পারবেন। একাউন্ট খোলার জন্য আপনারা সরাসরি ফ্রি ক্যাশ ওয়েবসাইট থেকে করতে পারেন।
এই সাইটে সাধারণত অনেকগুলো কাজ করে ঘরে বসে ডলার ইনকাম করা যায়। তবে মোবাইলে গেম খেলে ইনকাম করার জন্য এটি একটি জনপ্রিয় সাইট। আপনি যদি গেম খেলতে ভালবাসেন ও গেম খেলায় দক্ষ হন তাহলে এই সাইট থেকে গেম খেলে প্রতিদিন আসল ১০ ডলার থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশ ১৫টি
সাইটের অন্যান্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে সার্ভে করা, অ্যাপ ডাউনলোড করা দৈনিক অফার গুলো সম্পন্ন করা সহ সাইন ইন বোনাস। এছাড়া রেফার করে অনেক বেশি আয় করার সুযোগ রয়েছে। তাই আপনি যদি এই সাইটে আপনার সময় ও ধৈর্য বিনিয়োগ করেন তাহলে ১০০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত মাসে উপার্জন করতে পারেন।
এই সাইটটি দ্রুততম সময়ে পেমেন্ট দিয়ে থাকে। এই সাইট থেকে আপনার উপার্জন করা ডলার পেপেল বা মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড বা অ্যামাজন গিফট কার্ডে নিতে পারবেন। এছাড়া আপনার যদি ক্রিপ্টো কারেন্সিতে আগ্রহ থাকে তাহলে বিটকয়েন হিসেবে আপনার পেমেন্ট নিতে পারবেন। সাধারণত ৩ ঘন্টার মধ্যে পেমেন্ট পাওয়া যায়।
Honeygain
Honeygain সাইটে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে ডলার ইনকাম করা যায়। সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডলার ইনকাম করাও বর্তমানে এটিও একটি সেরা সাইট। বিশেষ করে কোন রকম কাজ না করে শুধুমাত্র আপনার আনইউজ ইন্টারনেট ডাটা শেয়ার করেই আপনি আয় করতে পারেন। আপনি যদি একবার এই সাইট ব্যবহার করা শুরু করেন তাহলে এটি হবে আপনার প্যাসিভ ইনকামের উৎস।
এক্ষেত্রে সাধারণত আপনার অব্যবহৃত ইন্টারনেট/ডাটা আপনার মোবাইলের ব্যাকগ্রাউন্ডে চালিয়ে রাখতে হয়। এখন এই ডাটা যখন কোন কোম্পানি ব্যবহার করে তাদের কাজ করে তখন আপনি ডলার ইনকাম করেন। সাধারণত প্রতি ৫ থেকে ১০ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আপনাকে ১ ডলার দিবে। এভাবে আপনার যত বেশি অব ব্যবহৃত ইন্টারনেট ব্যবহার হবে তত বেশি আপনার ডলার আসতে থাকবে।
এছাড়া সাইন আপ করার পর আপনার পাঠানো রেফারেল লিংক থেকে কেউ সাইটে সাইন আপ করলে আপনি বোনাস হিসেবে ৫ ডলার পাবেন। রয়েছে আপনার দ্বারা সাইন আপ করা ব্যক্তির আয় থেকে ১০% বোনাস পাওয়ার সুযোগ। এভাবে আপনার একাউন্টে যখন ২০ ডলার জমা হবে তখন আপনি পেপেল বা জাম্পটোকেন এর মত ক্রিপ্টো কারেন্সিতে উত্তোলন করতে পারবেন।
তবে এই সাইট থেকে ডলার ইনকাম করা গেলেও ইনকাম অনেক স্লো, আপনার প্রথম সর্বনিম্ন পে আউট থ্রেশোল্ড ২০ ডলার পৌঁছাতে অনেক সময় লাগতে পারে। এছাড়া সব সময় ইন্টারনেট চালু রাখায় মোবাইলের চার্জ দ্রুত শেষ হতে পারে।
Inboxdollar
অনলাইনে ডলার ইনকাম করার আরেকটি বৈধ ও জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইনবক্স ডলার। এই সাইট থেকে ডলার ইনকাম করার জন্য নানা ধরনের ছোট ছোট কাজগুলো করতে হবে। যেমনঃ এটি একটি পেইড সার্ভে প্লাটফর্ম। এখানে আপনারা মার্কেট রিসার্চ এর মত সার্ভে পূরণ করে প্রায় তিন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
এছাড়া ছোট ছোট ভিডিও দেখে প্রায় এক ডলার আয় করা যায়। গেম খেলে, কুইজ খেলে, অনলাইনে শপিং করে ইমেইল পড়ে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া আপনি যখন সাইটে প্রথমবার সাইন আপ করবেন বোনাস হিসেবে ৫ ডলার পাবেন। আবার আপনার রেফার করা লিংক থেকে নতুন কেউ সাইন আপ করলে বাড়তি ১ ডলার পেয়ে যাবেন।
এই সাইটে মূলত এভাবেই ছোট ছোট ও সহজ কাজ করে ইনকাম করা যায়। বাড়তি কোন চাপ ছাড়া এই সকল কাজ করে আপনি ডলার ইনকাম করে আপনার একাউন্টে যখন ১৫ ডলার জমা হবে তখন ওই ডলার পেপেল ও গিফট কার্ড সহ ব্যাংক চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করে নিতে পারবেন।
Fiverr
ফাইবার হলো জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। বর্তমান যুগে অনলাইন ইনকামের সাথে যুক্ত কেউ ফাইবারের নাম শুনিনি এমন কাউকে পাওয়া যাবে না। এই সাইটটি ফ্রিল্যান্সিং করে ডলার ইনকাম করার একটি সেরা প্ল্যাটফর্ম। ফাইবার এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।
এখানে সাধারণত ফ্রিল্যান্সের দক্ষতা সম্পন্ন কাজগুলো করে ডলার ইনকাম করা যায়। তাই এই সাইটে কাজ করার জন্য আপনাকে কোন একটি কাজে দক্ষ ও যোগ্য হতে হবে। যেমনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েবসাইট ডিজাইন, অনুবাদ, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি।
এই সাইটের প্রতিটি কাজই উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন, তাই যেকোনো একটি কাজ ভালোভাবে শিখতে পারলেই আপনি এই সাইট থেকে প্রচুর ডলার ইনকাম করে নিতে পারবেন। তবে শুধু কাজ শিখলেই হবে না এজন্য প্রথমে সাইটের নিয়ম মেনে আপনার কাজের একটি গিগ তৈরি করতে হবে। আপনার গিগ অনুযায়ী যথাযথ ভাবে কাজ সম্পন্ন করে ক্লায়েন্টের কাছে সময় মত জমা দিলে যে ডলার পাবেন তা পেওনিয়ার বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।
Upwork
ফাইবারের মতো আরেকটি জনপ্রিয় বৃহৎ ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম আপওয়ার্ক। সারা বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার এখানে তাদের সেবা ও দক্ষতা বিক্রি করে ডলার ইনকাম করছেন। এখানে কাজ করার জন্য আপওয়ার্ক ওয়েবসাইট থেকে আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী একটি প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। আপনার প্রোফাইল ও পোর্টফোলিও দেখে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে ক্লায়েন্টরা আপনাকে তাদের কাজের জন্য নিয়োগ দিতে পারে।
কন্টেন্ট রাইটিং, অনুবাদ, ডিজিটাল মার্কেটিং, প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডাটা এনালাইসিস, এয়ার কন্টেন্ট তৈরি, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ভিডিও এডিটিং, ডাটা এন্ট্রির মত কাজ করে এখানে সরাসরি ডলার উপার্জন করা যায়। এখানে সাধারণত ঘণ্টা হিসেবে আপনাকে পেমেন্ট করা হবে। প্রথম দিকে প্রতি ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২৫ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। দক্ষ ও অভিজ্ঞ হয়ে উঠলে ঘন্টা প্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত নিতে পারবেন। এ ছাড়া ফিক্সড প্রজেক্টে কাজ করে বেশি ডলার আয় করতে পারবেন
আপওয়ার্ক থেকে আপনি যে ডলার ইনকাম করবেন তা প্রথমে আপওয়ার্কের মাধ্যমে পেমেন্ট নিয়ে পরবর্তীতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা প্রেমোনিয়ার এর মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।
Amazon
অনলাইনে ফ্রিতে ডলার ইনকাম করার আরেকটি সেরা সাইট amazon. অ্যামাজন বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। আমরা মোটামুটি সবাই এমাজন এর নাম শুনে থাকবো। এবং আমরা জানি অ্যামাজন থেকে বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে পণ্য ক্রয় করা যায়।
তবে এখন শুধু পণ্য ক্রয় করা নয় amazon থেকে আপনি চাইলে ডলার ইনকাম করতে পারেন। বিশেষ করে আপনার যদি কোন ব্যবসা শুরু করার জন্য মূলধন না থাকে কিন্তু আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে এই প্লাটফর্মটি আপনার জন্য উপযুক্ত। এখানে আপনি কোন রকম বিনিয়োগ ছাড়া শুধুমাত্র আপনার হাতে স্মার্ট ফোন দিয়ে ডলার ইনকাম করতে পারেন। যেমনঃ
Amazon এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক হল অ্যামাজন থেকে ইনকাম করার একটি জনপ্রিয় উপায়। এই পদ্ধতিতে আপনাকে এমাজনের কোন পণ্যের লিংক আপনার কোন ব্লগ সাইট বা ইউটিউব অথবা ফেসবুক পেজে লিংক তৈরি করতে হবে। সেই লিংকের মাধ্যমে যখন কেউ পণ্য ক্রয় করবে তখন আপনি পণ্য অনুযায়ী ১ থেকে ১০% পর্যন্ত কমিশন পাবেন।
এছাড়া আপনি যদি ডিজাইন করতে ভালোবাসেন তাহলে অ্যামাজনের মার্চ অন ডিমান্ড প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে আয় করতে পারেন। এর জন্য আপনার ডিজাইন করা টি শার্ট, মগ, হুডি, নোটবুক ইত্যাদি আকর্ষণীয় ডিজাইন করে আপলোড করে রাখতে পারেন। যখন কেউ আপনার ডিজাইন করা পণ্য ক্রয় করবে amazon তা উৎপাদন থেকে শুরু করে শিপিং পুরো কাজ আপনার হয়ে করবে। মোটকথা আপনি শুধু আপনার ডিজাইন আপলোড করবেন ও ইনকাম করবেন আর কোন কিছু করতে হবে না।
আরেকটি জনপ্রিয় উপায় হল অ্যামাজনে বই লিখে বা নোটবুক, ই-বুক এর মত বই ডিজাইন করে আয় করতে পারেন। এক্ষেত্রেও আপনি আপনার পণ্য বিক্রির উপর ৭০% কমিশন পেয়ে আয় করবেন। এজন্য আপনাকে আমাজনের কিংডেল ডাইরেক্ট পাবলিশিং এ নাম নিবন্ধন করতে হবে। এই হল মোটামুটি আমাজন থেকে আয় করার জনপ্রিয় উপায়।
Shutterstock
অনলাইনে ফ্রি ডলার ইনকাম করার আরেকটি জনপ্রিয় সাইট শাটার স্টক। এটি মূলতঃ বিশ্বজুড়ে নিজে তোলা ইমেজ ও ফটোগ্রাফি বা ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করার জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। এই সাইট থেকে ইনকাম করার জন্য প্রথমে আপনাকে সাইটে ঢুকে একজন কন্ট্রিবিউটর হিসেবে নাম নিবন্ধন করতে হবে।
এরপর আপনার তোলা যে কোন ছবি, ভিডিও বা আপনার নিজের তৈরি করা কোনো আর্ট এর ফাইল আপলোড করতে হবে। সারা বিশ্ব থেকে যখন কোন গ্রাহক আপনার কোন ফাইল ডাউনলোড করবে বা ক্রয় করবে তখন আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশন পেয়ে ইনকাম করবেন। এক্ষেত্রে সাধারণত আপনার ফাইল এর মোট বিক্রির উপর ১৫ থেকে ৪০% পর্যন্ত আয় নিতে পারবেন।
আপনার একাউন্টে যখন ২৫ ডলার জমা হবে তখন আপনি পেপেল, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পেওনিয়ার বা স্ক্রিল এর মাধ্যমে ডলার উত্তোলন করতে পারবেন।
ডলার ইনকাম করার ফ্রি অ্যাপস
Ysense (ওয়াইসেন্স): অনলাইনে ডলার ইনকাম করার বৈধ অ্যাপ গুলোর মধ্যে ওয়াইসেন্স অন্যতম। এটি একটি জিপিটি সাইট। এখানে নানা ধরনের ছোট ছোট টাস্ক করার বিনিময়ে ডলার ইনকাম করা যায়। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে আপনি এই কাজগুলো করতে পারবেন।
এখানে সাধারণত পেইড সার্ভে গুলোতে অংশ নিয়ে বেশি ইনকাম করা যায়। এছাড়া আরো যে সকল কাজ করে ইনকাম করা যায় তা হলঃ ছোট ছোট সার্ভে করে, অফার গুলো সম্পন্ন করে, দৈনিক টাস্ক গুলো করে, রেফার করে, গেম খেলে সরাসরি ডলার ইনকাম করতে পারবেন। আপনার উপার্জনকৃত ডলার পেপেলসহ পেয়োনিয়ার ও স্ক্রিল একাউন্ট এর মাধ্যমে নিতে পারবেন। এই অ্যাপ খুব অল্প সময়ে পেমেন্ট দিয়ে থাকে।
Work Up Job (ওয়ার্ক আপ জব): অনলাইনে ডলার ইনকাম করার আরেকটি বিনামূল্যের বিশ্বস্ত অ্যাপ Work Up Job. এটি মূলত: অনলাইন আয়ের মাইক্রোটাস্ক ও ছোট ছোট ফ্রিল্যান্স কাজের প্লাটফর্ম। সহজ ও ছোট কাজ করার বিনিময়ে আপনি যদি কিছু পরিমাণ ডলার ইনকাম করতে চান তাহলে এই সাইটে একাউন্ট ক্রিয়েট করতে পারেন।
এখানে আপনারা অ্যাপ ডাউনলোড করে, ওয়েবসাইটে সাইন ইন করে, ইউটিউবে ভিডিও দেখে, সোশ্যাল মিডিয়ার একাউন্টে লাইক শেয়ার দিয়ে ডলার আয় করতে পারবেন। আপনার একাউন্টে যখন ১০ ডলার জমা হবে তখন পেপেল সহ স্থানীয় পেমেন্ট মেথড বিকাশ বা নগদে মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।
Click Worker (ক্লিক ওয়ার্কার): অনলাইনে ছোট ছোট কাজ করে ডলার ইনকাম করার আরেকটি ফ্রি বৈধ অ্যাপ ক্লিক ওয়ার্কার। আপনি যদি অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করতে চান তাহলে এই সাইটে ছোট ছোট কাজ করে ডলার আয় শুরু করতে পারেন। যদিও প্রথমে আয়ের পরিমাণ কম হবে তবে ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে কাজ করলে একসময় ইনকাম বৃদ্ধি পাবে।
এই অ্যাপের কাজ গুলোর মধ্যে রয়েছে সার্ভে অংশ নেওয়া, ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে অডিও ও ভিডিও রেকর্ড করা, ডাটা এন্ট্রি কাজ করা ইত্যাদি। এই কাজ গুলো করার জন্য খুব বেশি দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। কাজ করে আপনার একাউন্টে ডলার জমা হওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে পেপেল বা পেওনিয়ার এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
TimeBucks ( টাইম বাক্স): আপনার হাতে থাকা অবসর সময়ে ডলার ইনকাম করার জন্য এই অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। এটি একটি ফ্রি মোবাইল ডলার ইনকাম অ্যাপ। এই অ্যাপ থেকে ডলার ইনকাম করার জন্য প্রথমে আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি মোবাইলে ডাউনলোড করে নিতে হবে।
তারপর অ্যা্পে থাকা নানা ধরনের ছোট ছোট কাজ যেমনঃ সার্ভে করা, ভিডিও দেখা, সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা সহ আরো অন্যান্য মাইক্রোটাস্ক করে সরাসরি ডলার ইনকাম করতে পারবেন। ডলার ইনকাম করে পেপেল বা পেওনিয়ার এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
Paid Work (পেইডওয়ার্ক): পেইড ওয়ার্ক হলো আরেকটি অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করার জনপ্রিয় বৈধ অ্যাপ। আপনার মোবাইল থেকে ছোট ছোট কাজ করে ডলার ইনকাম করার জন্য অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
এই অ্যাপের কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে- সার্ভে করা, গেম খেলা, অনলাইনে কেনাকাটা করা, ভিডিও দেখা, রেফার করা সহ আরো অন্যান্য মাইক্রো টাস্ক। আপনি যদি বেশি সময় নিয়ে অ্যাপ এ কাজ করতে পারেন তাহলে আপনি বেশি ডলার ইনকাম করতে পারবেন। আপনার একাউন্টে ১০ ডলার জমা হলে পেপেল সহ ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে তা তুলে নিতে পারবেন।
মোবাইল দিয়ে ডলার ইনকাম করার উপায়
মোবাইল দিয়ে ডলার ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে আপনার যদি জানার আগ্রহ থাকে তাহলে আর্টিকেলের এই অংশটি আপনার জন্য। বর্তমান যুগে আমাদের হাতে হাতে মোবাইল রয়েছে। আমরা অনেকেই আছি যারা মোবাইল ব্যবহার করে কিভাবে অনলাইন থেকে উপার্জন করা যায় তা খুঁজতে থাকি।
এখন অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে করা যায়। মোবাইল দিয়ে ইনকাম করার ফ্রি অ্যাপ অনলাইনে অসংখ্য রয়েছে। তবে সব অ্যাপ থেকে আপনারা সরাসরি ডলার ইনকাম করতে পারবেন না। বিশেষ করে যে সকল অ্যাপ কাজ শুরু করার আগে ডিপোজিট করার কথা বলে এ সকল অ্যাপ থেকে আসলে আয় করা যায় না।
প্রিয় পাঠক, এখন আপনাদের সাথে জনপ্রিয় কয়েকটি মোবাইল দিয়ে ডলার আর্নিং অ্যাপ বিষয়ে জানাবো। চলুন তাহলে অ্যাপসগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে জেনে নিন।
Hive Micro: আপনার এন্ড্রয়েড ফোন থেকে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে অ্যাপটি প্রথমে ডাউনলোড করে নিন। তারপর একটি সক্রিয় ইমেইল দিয়ে সাইন আপ করুন। সাইন আপ করার পর অ্যাপ যে কাজগুলো অফার করে তা ভালোভাবে পড়ে জেনে নিন।
এই অ্যাপে সাধারণত ডাটা লেভেলিং কাজগুলো করতে হয়। যেমনঃ কোন ছবিতে নির্দিষ্ট বস্তুকে ট্যাগ করে বক্স আঁকা, ইমেজ অপটিমাইজেশন করা, টেক্সট টাইপ করা, কোন ভিডিওতে ভুল থাকলে তা সনাক্ত করা ইত্যাদি। অর্থাৎ এই অ্যাপটি মূলতঃ একটি ডাটা লেভেলিং করে ডলার আয় করার প্লাটফর্ম। কাজগুলো করা খুব সহজ তাই কোনো রকম দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।
ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে দিনে ৫ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। অ্যাপটি সাপ্তাহিক ভিত্তিতে আপনাকে পেমেন্ট দিবে। পেপেল ও পেয়ার একাউন্টের মাধ্যমে আপনার পেমেন্ট তুলে নিতে পারবেন।
Neobux: Neobux মোবাইলে ডলার ইনকাম করার একটি বিশ্বস্ত অ্যাপ। এই অ্যাপে কিছু ছোট ছোট কাজ করার বিনিময়ে আপনি ডলার ভাবেন। মূলতঃ এটি একটি পি টি সি সাইট। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে এখানে ডলার পাওয়া যায়। এছাড়া সার্ভে করে, বিভিন্ন অফার সংক্রান্ত কাজগুলো করে ও রেফার করেও আপনার ডলার ইনকাম বৃদ্ধি করতে পারেন।
Paidverts: এটিও একটি জনপ্রিয় পি টি সি সাইট। এই সাইট থেকে আপনারা মোবাইলে বিজ্ঞাপন দেখে সরাসরি ডলার আয় করতে পারবেন। এছাড়া আরও কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করার বিনিময়ে আপনি বেশি ডলার পেতে পারেন।
ডলার ইনকাম বিকাশ নগদে পেমেন্ট
আপনি কি অনলাইনে ডলার ইনকাম করে বিকাশ নগদে পেমেন্ট নিয়ে চিন্তিত? যেহেতু অনলাইনে বেশিরভাগ প্লাটফর্ম ও ক্লায়েন্ট বিদেশি, তাই তারা ডলারের মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করে এবং সেই ডলার আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে উত্তোলন করতে হয়। এখন ডলার সরাসরি বিকাশ বা নগদে নেওয়া যায় কিনা এ বিষয়ে অনেকে জানতে চান। কারণ আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করতে ভয় পান।
দেখুন, এখন অনলাইনে একাধিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সরাসরি স্থানীয় পেমেন্ট মেথড বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট তোলা যায়। অর্থাৎ এ সকল প্লাটফর্ম থেকে উপার্জনকৃত ডলার আপনারা চাইলে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করার সাথে সাথে বিকাশ ও নগদ এর মত লোকাল মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ ফাইবার, আপ ওয়ার্ক, ফেসবুক, ইউটিউব, ওয়ার্ক আপ জব এর মত জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
আরো পড়ুনঃভিডিও দেখে টাকা ইনকাম অ্যাপস বাংলাদেশ
আবার ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু বড় মার্কেটপ্লেস ও অনলাইন রিমোট জব করে আয় করা ডলার সরাসরি বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট পাওয়া না গেলেও, যেকোনো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ডলার নিয়ে তারপর বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।
যেমনঃ বর্তমান সময়ে পেওনিয়ার ( Payoneer) হল জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে মাধ্যম। যে কোন প্লাটফর্মে কাজ শুরু করার আগে আপনার একটি পেওনিয়ার একাউন্ট খুলতে হবে। কাজ করে আপনার উপার্জনকৃত ডলার প্রথমে পেওনিয়ার একাউন্টে জমা হবে। এখন আপনি যদি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে চান তাহলে আপনার পেওনিয়ার একাউন্টের সাথে বিকাশ বা নগদ একাউন্টের লিংক তৈরি করে দিবেন। এরপর আপনার উপার্জন করা টাকা উইথড্র দিয়ে সরাসরি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন।
আশা করি উপরে আলোচনা থেকে আপনারা বুঝতে পেরেছেন কিভাবে অনলাইনে ডলার ইনকাম করে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে সহজে পেমেন্ট তুলে নিতে পারবেন।
ডলার কিভাবে ইনকাম করব - ডলার ইনকাম করার উপায়
ইন্টারনেটের যুগে এখন অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করা যায়। কিছু কার্যকর ও সেরা উপায় রয়েছে যেগুলো কাজে লাগিয়ে আমরা চাইলেই ডলার ইনকাম করতে পারি। বর্তমানে প্রচুর মানুষ এখন বাড়িতে বসে থেকে অনলাইনে ডলার ইনকাম করছেন। তরুণ প্রজন্ম এখন গতানুগতিক চাকরির পিছনে না ছুটে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের দিকে ঝুকছে বেশি।
কারন হিসেবে বলা যায় বাইরে গিয়ে দশটা পাঁচটা অফিস মেনটেইন করতে হয় না, নিজের সুবিধা মত সময়ে কাজ করা যায়। এছাড়া কোন ধরা বাধা নিয়মে বন্দী না থেকে নিজের কাজের দক্ষতা ও সঠিক সময়ের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায়। বিশেষ করে কোন একটি কাজে দক্ষ হয়ে উঠতে পারলে বড় অংকের ডলার ইনকাম করা সম্ভব, যা বাংলাদেশের টাকায় ইনকামের পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে দাঁড়ায়।
এখন আপনিও যদি অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে সেই সকল রিয়েল উপায় সম্পর্কে জানতে হবে যে কাজগুলো করে প্রকৃত ডলার ইনকাম করা সম্ভব হবে। তাহলে চলুন নিচে বর্তমান সময়ের সেরা কয়েকটি ডলার ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে জেনে নিনঃ
- অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর উপায় হলো ফ্রিল্যান্সিং। ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ডিজিটাল মার্কেটিং কন্টেন্ট রাইটিং ব্লগিং সহ ফ্রিল্যান্সিং এর যেকোনো কাজ শিখে আপনি অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করতে পারেন।
- অনলাইনে ডলার ইনকাম করার আরেকটি জনপ্রিয় উপায় হল ভিডিও কনটেন্ট। আপনি যে কোন একটি আকর্ষণীয় নিচ নিয়ে ভিডিও তৈরি করে সেটা ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করে ডলার ইনকাম করতে পারেন।
- আপনি চাইলে আপনার মোবাইলে তোলা ছবি বিক্রি করে অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করতে পারেন। অনলাইনে এখন বৈধ কিছু সাইট রয়েছে যেখানে আপনারা আপনাদের তোলা ছবি ও ভিডিও আপলোড করে ডলার ইনকাম করতে পারেন। যেমনঃ শাটার স্টক, এডোবি স্টক, ফ্রি পিক।
- বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করার আরেকটি জনপ্রিয় উপায়ে সার্ভে বা মতামত দিয়ে ইনকাম। প্রচুর কোম্পানি এখন থার্ড পার্টি অ্যাপ এর মাধ্যমে তাদের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে মানুষের মতামত জানতে চান। এই সকল অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করে সার্ভেতে অংশ নিয়ে ডলার ইনকাম করতে পারেন। এজন্য সোয়াগবাক্স, সার্ভে যানকি, ইনবক্স ডলারের মত বৈধ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
- অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করার সহজ একটি উপায় হল ভিডিও দেখা। অনলাইনে কিছু বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে ভিডিও ও ভিডিও এড দেখার মাধ্যমে কিছু পরিমাণ ডলার ইনকাম করা যায়। যেমনঃ গিভি ভিডিওস, লাভ টাকা, সোয়াগবাক্স ইত্যাদি। ভিডিও দেখা ছাড়াও এই সকল অ্যাপে আরও অন্যান্য মাইক্রো টাস্ক করেও ডলার ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে।
ফ্রি ডলার ইনকাম সাইট সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ ডলার ইনকাম করার সহজ উপায় কি?
উত্তরঃ অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করার বেশ কিছু জনপ্রিয় ও কার্যকর উপায় রয়েছে। এ সকল উপায় ব্যবহার করে প্রচুর মানুষ এখন ঘরে বসে নিয়মিত ডলার ইনকাম করছেন। যেমনঃ ফ্রিল্যান্সিংয়ের যে কোন কাজ করে, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে, ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করে, কনটেন্ট তৈরি করে, মাইক্রোটাস্ক সম্পন্ন করে ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ ঘরে বসে প্রতিদিন ২০০ ডলার ইনকাম করার উপায় কি?
উত্তরঃ ঘরে বসে প্রতিদিন ২০০ ডলার ইনকাম করার জন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রম, উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা জানতে হবে। কারণ অনলাইনে ছোট ছোট কাজ করে দিনে ২০০ ডলার ইনকাম করা সম্ভব নয়। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিংয়ের যে কোন কাজে খুব বেশি দক্ষ ও অভিজ্ঞ হন তাহলে দিনে ২০০ ডলার আয় করতে পারেন। আবার এফিলিয়েট নেটওয়ার্কিং ভালো জানলেও এই পরিমাণ ডলার ইনকাম করা সম্ভব হতে পারে।
প্রশ্নঃ কিভাবে দ্রুত ১০০০ ডলার আয় করা যায়?
উত্তরঃ আপনি যদি তাড়াতাড়ি ১০০০ ডলার আয় করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে ফ্রিল্যান্স কাজগুলো করতে পারেন। ফেসবুক বা ইউটিউবে কন্টেন্ট আপলোড করতে পারেন, অনলাইন টিউশন ও কোর্স বিক্রি করতে পারেন, ই-কমার্স সাইটগুলোতে এফিলেট লিংক তৈরি করতে পারেন অথবা আপনার অপব্যবহৃত পণ্য বিক্রি করতে পারেন। তবে ১০০০ ডলার আয় করার সবচেয়ে দ্রুত ও কার্যকর উপায় হল একসাথে একাধিক উপায় অবলম্বন করা।
প্রশ্নঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করব?
উত্তরঃ অনলাইনে ফ্রি টাকা ইনকাম করার বর্তমান যুগে অনেকগুলো জনপ্রিয় উপায় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কনটেন্ট রাইটিং, অনলাইন সার্ভে, ছোট ছোট মাইক্রো টাস্ক সম্পন্ন করা, ডাটা এন্ট্রির কাজ করা, রেফার করা, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি।
লেখকের মতামত
প্রিয় পাঠক, ফ্রি ডলার ইনকাম সাইট সেরা ১০টি সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে আপনারা জানতে পেরেছেন। এছাড়া ডলার ইনকাম করার ফ্রি এপস, মোবাইল দিয়ে ডলার ইনকাম বিষয়ে আপনারা জেনেছেন। বর্তমান যুগে অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায় কাজে লাগিয়ে ডলার ইনকাম করা এখন শুধু স্বপ্ন নয়। কারণ সত্যিই এখন ঘরে বসে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে ডলার ইনকাম করা সম্ভব।
আপনি যদি আপনার নিজের দক্ষতা অনুযায়ী উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম বাছাই করতে পারেন তাহলে আপনিও পারবেন অনলাইন থেকে ডলার ইনকাম করতে। বর্তমানে প্রচুর মানুষ এখন নিজের সামর্থকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে ডলার ইনকাম করছেন।
প্রিয় পাঠক, আমরা আমাদের সাইটে অনলাইন ইনকামের জন্য সঠিক গাইডলাইন বিষয়ে লিখে থাকি। তবে যেকোন সাইট বা প্লাটফর্মে কাজ করার আগে সে বিষয়ে আপনাদের ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে জেনে বুঝে তারপর নিজের শ্রম, মেধা ও সময় বিনিয়োগ করার কথা বলে থাকি। অনলাইন ইনকাম বিষয়ক এরকম আরো সমসাময়িক পোস্ট পেতে passiondrivefiona ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন।


passiondrivefiona র নীতিমালা মেনে comment করুন। প্রতিটি comment রিভিউ করা হয়;
comment url