১০টি রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট ২০২৬ - অনলাইনে ফ্রি টাকা ইনকাম

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট ২০২৬ সম্পর্কে আপনার যদি জানার আগ্রহ থাকে, তাহলে আজকের প্রবন্ধটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এখানে আমরা ১০টি ফ্রি ইনকাম করার রিয়েল সাইট সম্পর্কে আলোচনা করব।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট

অনলাইনে রিয়েল ফ্রিতে টাকা ইনকাম সাইট বলতে সেই সকল সাইটকে বুঝায় যেখানে বিনা অর্থ পেয়ে টাকা ইনকাম করা যায়। আর অনলাইনে বিনা ডিপোজিটে শুধুমাত্র প্রকৃত সাইট থেকে টাকা ইনকাম করার পাবেন। আজকের আর্টিকেলে উল্লেখিত ১০টি সাইট থেকে আপনারা কিভাবে কোনরকম ঝামেলা ও ঝুঁকি ছাড়া ইনকাম করতে পারেন এ বিষয়ে সকল কিছু জানতে পারবেন। পোস্ট সূচীপত্রঃ

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট ২০২৬

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট 2026 হতে পারে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার আপনার নতুন যাত্রা। ইতিমধ্যে আমরা আমাদের সাইটের আগের পোস্টগুলোতে জনপ্রিয় ডিপোজিট ছাড়া অনলাইন ইনকাম সাইট সম্পর্কে জেনেছি। যেমনঃ Upwork, Fiver, Freelancer, youtube, ফেসবুক সহ অন্যান্য সেরা অনলাইন ইনকাম সাইট। এই সকল সাইট থেকে বর্তমানে বহু মানুষ মাসে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারছেন।

আজকের প্রবন্ধে আরো কিছু প্রকৃত টাকা আয় করার ফ্রি সাইট সম্পর্কে আপনাদের জানাবো। এই সকল সাইট থেকেও বর্তমানে প্রচুর মানুষ টাকা ইনকাম করছেন। আপনি যদি এমন কিছু সাইট সম্পর্কে জানতে চান যেখানে সৃজনশীলতা, মার্কেটিং কৌশল ও ইতিমধ্যে ইনকাম চলমান রয়েছে সাথে আরো ইনকাম বৃদ্ধির উপায় খুঁজছেন তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আপনি চাইলে আপনার মোবাইলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে এ সকল সাইট থেকে ইনকাম করতে পারেন।

প্রিয় পাঠক, তাহলে চলুন দেরি না করে ১০টি রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট ২০২৬ সম্পর্কে জেনে নেই যে সাইটগুলো আপনাদের ভবিষ্যতের প্যাসিব ইনকামের সুযোগ তৈরি করে দিবে।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট- patreon

patreon এমন একটি সাইট যেখানে কনটেন্ট ক্রিয়েটরগন বিভিন্ন উপায়ে ইনকাম করে থাকে। এই প্লাটফর্মটি বর্তমান সময়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য জনপ্রিয় একটি রিয়েল ইনকাম সাইট হিসেবে ইতিমধ্যে প্রমাণিত। এই সাইটে মূলতঃ নানা ধরনের ক্রিয়েটিভ কাজ করার মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। সেটা হতে পারে- ব্লগিং, ভিডিও, আর্ট, মিউজিক, এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে ইনকাম হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ রিয়েল ইনকাম অ্যাপস 2026, দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম

এই সাইটে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরগন মূলত সাইটের ভক্ত বা অনুরাগীদের মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশনের ফি এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে। তাই বলা যায়, প্ল্যাটফর্মটি পুরোটা কোন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের ভক্তের সংখ্যা বা মেম্বারের উপর নির্ভর করে। যত বেশি সদস্য সাবস্ক্রাইশন করবে তত বেশি ইনকাম হবে। এছাড়া সাবস্ক্রিপশন স্তরের উপর ভিত্তি করেও আয় নির্ভর করে। এক্ষেত্রে মাসিক ভিত্তিক মেম্বারশিপ ফি তৈরি করতে পারেন।

আপনি যদি উপরে উল্লেখিত যে কোন একটি বিষয়ে দক্ষ হল তাহলে এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আসল টাকা ইনকাম শুরু করতে পারেন। যদি নিয়মিত আকর্ষণীয় ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে আপনার অনুরাগীদের আকর্ষণ করতে পারেন তাহলে এই প্লাটফর্মে আপনি প্রচুর টাকা আয় করে নিতে পারেন। তবে এখানে আপনাকে কনটেন্ট পাবলিশ করার সাথে সাথে আপনার ভক্তদের বুঝাতে হবে কেন তারা টাকার বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন নিবে। আপনি যদি ভালোভাবে আপনার ভক্তদের বুঝাতে সক্ষম হন তাহলে এই প্লাটফর্ম হবে আপনার আজীবন প্যাসিভ ইনকামের সুবর্ণ সুযোগ।

 এখন নিচে দেখে নিন এই প্লাটফর্মে যে কয়েকটি উপায় ইনকাম হয়ে থাকে তা হলো-

আকর্ষণীয় ও এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট তৈরিঃ আপনি যদি আকর্ষণীয় ও এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট দিতে পারেন যা সাধারণত লোকদের ( সবার) জন্য উন্মুক্ত নয়, শুধুমাত্র সদস্যরা তা দেখতে পাবে। তাহলে আপনি আয় করার সাথে সাথে আরও বেশি পেইড মেম্বারদের আকর্ষণ করতে পারেন যা আপনার ইনকাম বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এই ধরনের কন্টেন্টের মধ্যে রয়েছে-ভিডিওর পর্দার পেছনের গল্প যা সাধারণত আমরা দেখি না, যে কোন আকর্ষণীয় ডায়েরি, আর্ট বা মিউজিক ইত্যাদি।

ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রিঃ এই প্লাটফর্মে কনটেন্ট থেকে আয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করার মাধ্যমেও আপনার আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন। আপনি যদি আপনার মেম্বারদের জন্য ডাউনলোড করা যায় এমন কনটেন্ট তৈরি করেন তাহলে তা বিক্রি করতে পারেন।

এই সাইটের একটি অসুবিধা হল, পেট্রিয়ন যেকোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ইনকামের ৫% থেকে ১২% কমিশন নিয়ে থাকে। এখান থেকে উপার্জনকৃত টাকা পেপেল, ভিসা বা মাস্টার কার্ডে উত্তোলন করতে পারবেন। তবে প্ল্যাটফর্ম টি যেহেতু ইতিমধ্যে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের কাছে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচিত, তাই আপনিও আপনার দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এখানে কন্টেন্ট পাবলিশ শুরু করতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা এখানে কাজ শুরু করার জন্য প্রথমে আপনাকে কোনরকম অর্থ ব্যয় করতে হবে না।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট- Amazon Mechanical Turk

Amazon Mechanical Truck থেকে আয় শুরু করার জন্য আপনাকে worker.mturk.com ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি ওয়ার্কার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এই ওয়েবে গিয়ে প্রথমে 'Get Started with Amazon Mechanical Turk' এ গিয়ে 'Make Money' তে ট্যাপ করে ওয়ার্কার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন সেখান থেকে।

আপনি একাউন্ট খুলে ভিতরে প্রবেশ করলে ড্যাশবোর্ডে বিভিন্ন কাজের নাম দেখতে পারবেন। এগুলোকে সাধারণত বলা হয় Human Intelligence Task বা HIT। এর মধ্যে বিভিন্ন ছোট ছোট কাজ যেমন: ভিডিও বা ছবি দেখে তার বর্ণনা দেওয়া, অডিও ট্রান্সক্রিপশন, ডাটা এন্ট্রি, সার্ভে ইত্যাদি। কাজগুলো যেহেতু খুবই সহজ তাই নিয়ম গুলো একটু পরে নিয়ম অনুযায়ী করার চেষ্টা করা ভালো।

বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন মাপের পেমেন্ট দেওয়া হয়। এই পেমেন্টের রেঞ্জ ০.০১ থেকে ১.০০ ডলার।তবে কিছু কিছু কাজের মান বেশি হয় এর পেমেন্ট বেশি হয়। বাংলাদেশের কর্মীরা যদি এখান থেকে ইনকাম করে পেমেন্ট নিতে চায় তাহলে তাদের অ্যামাজন গিফট কার্ড বা অন্য অনুমোদিত পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। মার্কিন কর্মীরা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাদের পেমেন্ট ট্রান্সফার করতে পারে।

এখানে নতুন নতুন কাজ করলে আপনাকে কম মানের কাজ এবং কম পেমেন্ট দেওয়া হবে। তবে আস্তে আস্তে আপনি যত কাজ করবেন তত আপনার কাজের মান বৃদ্ধি পাবে।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট- LionBridge

LionBridge থেকে ইনকাম করার মূল উপায়টি হলো বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন রেট করে। এ সার্চ ইঞ্জিন হতে পারে গুগল, অপেরা, ফায়ারফক্স ইত্যাদি। এছাড়াও এখানে আরো বিভিন্ন কাজ রয়েছে। কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ডাটা এনোটেশন, অনুবাদক, ম্যাপ কোয়ালিটি এনালিস্ট ইত্যাদি। বর্তমানে এটি TELUS International কোম্পানির অংশ হিসেবে রয়েছে।

এই সাইটে কাজ করার জন্য মাত্র দুইটি জিনিস দরকার। সেটি হলো ইংলিশে দক্ষতা এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। সাধারণত এখানে কাজ করার জন্য আবেদন করতে হয় তাদের আরেকটি সাইটে, যেটি হলো AI Oppurtunities।

পরবর্তীতে তাদের অফিসিয়াল সাইটে সাইন আপ করে কাজ শুরু করার জন্য একটি যোগ্যতার পরীক্ষা নেয় তারা, আপনি যদি এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেন তবে আপনি কাজ করার জন্য প্রস্তুত। এটি একটি পার্ট টাইম জব। সপ্তাহে মাত্র ১৫ থেকে ২০ ঘন্টা কাজ করতে হয়। এখানে প্রতি কাজ অথবা প্রতি ঘন্টা হিসেবে টাকা পাওয়া যায়।

আরো পড়ুনঃ ফ্রি টাকা ইনকাম বিকাশ পেমেন্ট দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকা ২০২৬

গুগলের মতো বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলের মান এটা এবং সঠিকতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা হল সার্চ ইঞ্জিন রেটিং। এছাড়াও গুগল ম্যাপের তথ্য, যেটি হতে পারে বাসার লোকেশন, রাস্তার নম্বর ইত্যাদির সঠিকতা যাচাই করা ম্যাপ কোয়ালিটি অ্যানালিস্ট। এই টাস্ক গুলো সম্পন্ন করার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন।

এছাড়াও সাইটে রয়েছে অনুবাদক ও স্থানীয়করণ বা ইংলিশে ট্রান্সলেশন অ্যান্ড লোকালাইজেশন, এটিতে মূলত এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় অনুবাদ করতে হয়। আপনি যেহেতু বাঙালি তাই আপনাকে বাংলা থেকে ইংলিশে বা অন্য কোন ভাষায় অনুবাদ করতে দেয়া হবে। আবার ডাটা এনোটেশন বা এই আই ট্রেনিং এর মত কাজে এআইকে ট্রেনিং দেওয়ার জন্য ছবি, ভিডিও, অডিও, টেক্সট ইত্যাদি লেবেল করা।

এই সাইটে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট মডারেশনের কাজ করেও ইনকাম করা যায়।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট- Amazon Associates

Amazon Associates মূলতঃ একটি আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের আওতায় এমাজনের আওতাভুক্ত যেকোন পণ্যের লিংক আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার এর মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। এক্ষেত্রে কোন ক্রেতা আপনার শেয়ারকৃত লিংকে ক্লিক করে কোন পণ্য ক্রয় করলে আপনি কমিশন অর্জনের মাধ্যমে ইনকাম করবেন। এক্ষেত্রে সাধারণত বিক্রয়ের উপর ১% থেকে ১২% পার্সেন্ট কমিশন লাভ করা যায়। তবে পন্যের শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে কমিশন অর্জনের হার বিভিন্ন হতে পারে।

এমাজন এফিলিয়েট থেকে ইনকামের জন্য প্রথমে আপনাকে একাউন্ট তৈরি করা মাধ্যমে সাইন আপ করতে হবে। এরপর আপনি এফিলিয়েট লিংক তৈরি করতে পারবেন। আপনার তৈরিকৃত লিঙ্ক থেকে বেচাকেনা হলে আপনি আয় করবেন। আপনি যদি হাই ডিমান্ড পণ্য বাছাই করতে পারেন যা বাজারে চাহিদা বেশি তাহলে বিক্রয় বেশি হবে এর ফলে ইনকামও বেশি হবে।

অ্যামাজন এসোসিয়েট এর মাধ্যমে দুটি জনপ্রিয় উপায়ে ইনকাম করতে পারেন। যেমনঃ

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারঃ আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারেন। আপনার যদি একটি জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম ইউটিউব চ্যানেল কিংবা পিন্টারেস্টের মত সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট থাকে তাহলে সেখানে পণ্যের ব্যবহার সংক্রান্ত বিভিন্ন টিপস ও রিভিউ প্রদান করে এফিলিয়েট লিংক তৈরি করার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

ব্লগ সাইট তৈরিঃ আপনি চাইলে amazon এর যে কোন পণ্যের উপর ব্লক সাইট তৈরি করতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর যেমন, টেক বিষয়ক গেজেট বিষয়ক কিচেন টুলস বিষয়ক ব্লক সাইট খুলে সেখানে পণ্য সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রদান করে লিংক প্রদান করে ব্লগ তৈরি করতে পারেন। এভাবে ব্লগ সাইট খোলার পর যদি কোন ক্রেতা পণ্য ক্রয় করে তাহলে আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশনার অর্জন করবেন।

অন্যান্য উপায়ঃ এছাড়া আপনি যদি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েঞ্জার হয়ে থাকেন তাহলে পণ্যের গুণগান নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হতে পারেন, বা ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাদের নিকট আপনার বাছাইকৃত পণ্যের অফার বা রিভিউ দিয়ে লিংক পাঠানোর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েট থেকে আপনার উপার্জন করা অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে বা গিফট কার্ডের মাধ্যমে রিডিম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সাধারণত ২ মাসের মতো সময় লাগতে পারে। অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েট থেকে ইনকামের জন্য আপনাকে একটি বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে, কোনভাবেই নিজের লিংকে নিজে ক্লিক করে পণ্য ক্রয় করা যাবে না। এক্ষেত্রে এমাজনের নিয়ম ও শর্ত মেনে কাজ করতে হবে।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট- Clickbank

Clickbank হল একটি জনপ্রিয় ও পুরনো এফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম। প্ল্যাটফর্মটি মূলতঃ পণ্য বিক্রেতা ও এফিলিয়েট মার্কেটরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এখানে পণ্য বিক্রেতারা নির্দিষ্ট ফি প্রদানের মাধ্যমে পণ্য তালিকাভুক্ত করতে পারেন এবং এফিলিয়েট মার্কেটারগন বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত হয়ে পণ্য প্রচার করার মাধ্যমে বিক্রি করে কমিশন অর্জন করে ইনকাম করে থাকে। এখানে কমিশনের হার পণ্যের বিক্রেতা নির্ধারণ করে থাকে যা সাধারণত ১% থেকে ৭৫% পর্যন্ত হতে পারে।

এই প্লাটফর্মে আপনি একজন এফিলিয়েট মার্কেট হিসেবে পণ্য বিক্রেতার যে কোন পণ্য বিক্রি করে কমিশন অর্জন করতে পারেন। সেটা হতে পারে ডিজিটাল পণ্য অথবা ফিজিক্যাল পণ্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনি প্রতি বিক্রয়ের উপর 10% থেকে ৯০% পর্যন্ত কমিশন পেতে পারেন। তবে অ্যাফিলিয়েট লিংক তৈরি করার জন্য প্রথমে আপনাকে এখানে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এরপর প্ল্যাটফর্মে থাকা যেকোনো পণ্যের, (বাজারে চাহিদা রয়েছে এরকম পণ্য বেছে নেওয়া ভালো) লিংক তৈরি করে প্রচার করার মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন।

এফিলিয়েট লিংক তৈরি করার জন্য আপনি আপনার জনপ্রিয় ব্লগ সাইট, ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম সহ সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে আপনি পেইড অ্যাডের মাধ্যমেও পণ্যের প্রচার চালিয়ে ইনকাম করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি গুগল এডস, ফেসবুক এডস এর মত পেইড অ্যাড মেথড ব্যবহার করতে পারেন।

Clickbank প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনার উপার্জনকৃত টাকা এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ পর পেওনিয়ার বা ব্যাংক চেক এর মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন।

রিয়েল ফ্রী ইনকাম সাইট- ShareAsale

প্রিয় পাঠক, এখন আমরা যে সাইট নিয়ে কথা বলব তার নাম হলো ShareAsale. আপনাদের অনেকের কাছে নামটি পরিচিত হতে পারে। কারণ উপরে আমরা যে কয়টি সাইটের বর্ণনা দিয়েছি সেগুলোর মত এটিও একটি পুরনো ও নির্ভরযোগ্য এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি পণ্যের লিংক শেয়ার করে প্রচার করে কমিশন অর্জনের মাধ্যমে আয় করবেন।

বর্তমানে এটি একটি জনপ্রিয় এফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় আপনারা অনেকেই এই এফিলিয়েট প্ল্যাটফর্মটির বিষয়ে জানতে চান। তাহলে নিচের আলোচনা থেকে জেনে নিন ShareAsale এফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনারা কিভাবে এফিলেট লিংক তৈরি করার মাধ্যমে ইনকাম শুরু করতে পারেন।

ব্লগ সাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারঃ ShareAsale মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার একটি জনপ্রিয় ব্লগ সাইট থাকতে হবে যেখানে প্রতিনিয়ত প্রচুর ট্রাফিক প্রবেশ করে। এছাড়া বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমনঃ ফেসবুক, youtube, instagram, প্রিন্টারেস্ট এর মত প্রচুর ফলোয়ার আছে এমন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে।

একাউন্ট ক্রিয়েট করাঃ আপনি যখন উপরে উল্লেখিত শর্তটি পূরণ করতে পারবেন তখন প্ল্যাটফর্মের নিয়ম অনুযায়ী "এফিলিয়েট সাইন আপ" শর্তটি পূরণ করার মাধ্যমে একাউন্ট ক্রিয়েট করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য যেমন-নাম, ঠিকানা ও কোন কোন ক্ষেত্রে ব্লগ সাইটের URL দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

নিশ অনুযায়ী পণ্য বাছাইঃ অ্যাফিলিয়েট প্ল্যাটফর্মে আপনার অ্যাকাউন্ট অনুমোদন হওয়ার পর আপনি মূল কাজ শুরু করতে পারবেন। এই পর্যায়ে প্লাটফর্মের ড্যাশবোর্ডে থাকা ২১ হাজার অংশীদার বা মার্চেন্ট এর মধ্যে থেকে আপনার নিজের নিশের সাথে মিলে যায় এরকম পণ্য খুঁজে বের করতে হবে।

এফিলিয়েট লিংক তৈরিঃ এরপরের ধাপে আপনাকে আপনার বাছাইকৃত পণ্যের জন্য একটি এফিলিয়েট লিংক তৈরি করতে হবে। এটি তৈরি করার জন্য "Get A Link" বা ব্যানার অপশনটি ব্যবহার করতে হবে

পণ্য প্রচার ও বিক্রিঃ আপনি যখন আপনার ব্লগ সাইটে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পণ্যের লিংকটি শেয়ার করবেন তখন যদি কেউ লিংকে ক্লিক করে পণ্য ক্রয় করে তাহলে আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশন অর্জন করবেন। এজন্য আপনাকে পণ্যের একটি মানসম্মত রিভিউ প্রদান প্রদান করতে হবে। আপনি যখন একটি চাহিদা সম্পন্ন পণ্য বাছাই করবেন এবং আপনার নিজস্ব মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার করবেন তখন আপনার পণ্য টি বিক্রি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে ফলে আয়ও বৃদ্ধি পাবে। 

কমিশনার অর্জনঃ প্রতিটি বিক্রয়ের উপর আপনি ৪% থেকে ৫০% পর্যন্ত কমিশন অর্জন করবেন। এই টাকা আপনি মাসিক ভিত্তিতে উত্তোলন করতে পারবেন।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট- Freepik Contributor

প্রিয় পাঠক, এখন আপনাদের সাথে যে সাইটটির পরিচয় করে দিব তার নাম Freepik Contributor. বর্তমান সময়ে অনলাইনে ফ্রিতে টাকা আয় করার এটিও একটি জনপ্রিয় সাইট। এই সাইট থেকে আপনারা গতানুগতিক কাজের বাইরে আপনার শখ বা সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে ইনকাম শুরু করতে পারেন।

এই সাইটে মূলতঃ বিভিন্ন ইমেজ বা ফটো, ভেক্টর, PSD ফাইল আপলোড করার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে এখানে একজন ফ্রিপিক কন্ট্রিবিউটর হিসেবে যোগদান করে আপনার ফাইল আপলোড করতে হবে। এই সাইট থেকে "পে পার ডাউনলোড" হিসেবে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার আপলোড করা ফাইল যত বেশি ডাউনলোড হবে তত বেশি ইনকাম হবে।

এখন নিচের আলোচনা থেকে জেনে নিন এই প্লাটফর্ম থেকে কিভাবে আপনারা ইনকাম শুরু করতে পারেন-

একাউন্ট তৈরিঃ Freepik Contributor সাইটে যোগদান করার জন্য আপনাকে একটি সাইটের নিয়ম অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। একাউন্ট ক্রিয়েট করার পর আপনার সাইটে রেজিস্ট্রেশন এর কাজ সম্পন্ন হবে।

ফাইল আপলোডঃ অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করা শেষ হলে আপনি আপনার তৈরি করা যেকোনো কনটেন্ট আপলোড করতে পারেন। উচ্চ গুনমান সম্পন্ন স্টক ফটোগ্রাফি ও ডিজাইন, ছবি, ভেক্টর ফাইল, PSD ফাইল, ভেক্টর গ্রাফিক্স, ভিডিও, মিউজিক এবং বর্তমান সময়ে AI দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেও আপলোড করার সুযোগ রয়েছে। সাইটের কন্ট্রিবিউটার ড্যাশবোর্ডে গিয়ে ফাইল আপলোড করতে হবে। এজন্য যথাযথ ও উপযুক্ত টাইটেল ট্যাগ ব্যবহার করুন। সাধারণত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপলোডকৃত ফাইল অনুমোদন দেয়া হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সহজ ১৫টি উপায়

গুলো মান ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখাঃ আপনার তৈরি কৃত ফাইলটি যখন হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন হবে তখন ডাউনলোড করা সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তাই সর্বোচ্চ গুনমান বজায় রাখার চেষ্টা করুন। যেহেতু সারা বিশ্ব থেকে এই সাইটে নানা ধরনের ফাইল আপলোড হয়ে থাকে তাই আপনার নিজস্বতা ও কোয়ালিটি বজায় রাখা জরুরী। এছাড়া নিয়মিতভাবে ফাইল আপলোড করলে আপনার সফলতার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।

টাকা উত্তোলনঃ আপনার আপলোড করা যেকোনো ফাইল যখন সাইটের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রাইবার গন ডাউনলোড করবে তখন আপনি ইনকাম করবেন। আপনার কাজের মান যত ভাল হবে তত বেশি রেটিং বাড়বে ফলে আয় বৃদ্ধি পাবে। আপনার যখন ২৫ ডলার থেকে ৫০ ডলার এর বেশি আয় সম্পূর্ন হবে তখন আপনি উত্তোলন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সাধারণত পেপেল ও পেওনিয়ার গেটওয়ে পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করতে পারবেন।

সফলতার টিপসঃ আপনি আপনার কাজের স্বতন্ত্রতা বজায় রাখলে দ্রুত সফল হবেন। তাই কপিরাইট ফ্রি নিজস্ব ডিজাইন কনটেন্ট আপলোড করুন। চেষ্টা করুন বিশেষ দিবস সমূহকে টার্গেট করা, যেমন-নিউ ইয়ার, ঈদ, ক্রিসমাস ডে, ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ওই সময়ের নির্দিষ্ট ট্রেন্ডি টপিক বেছে নিন। বর্তমানে যেহেতু AI কনটেন্ট অনুমোদন দিচ্ছে তাই এআই জেনারেটেড ইউনিক ফাইল আপলোড করুন। মোটকথা, এখানে আপনি যদি আপনার তৈরিকৃত নিজস্ব, স্বতন্ত্র, উচ্চ গুনমান সম্পন্ন যে কোন ফাইল সাইটের নির্দেশনা মোতাবেক আপলোড করবেন, আপনার আজীবন প্যাসিভ ইনকামের সুযোগ তৈরি হবে।

রিয়েল ফ্রী ইনকাম সাইট- Subs.com

এই সাইটে ইনকাম নির্ধারণ করা হয় আপনার কনটেন্টের জন্য কত অডিয়েন্স সাবস্ক্রিপশন নিচ্ছে তার উপর। এখানে ইউটিউবের মতো ভিডিও বা পোস্ট ছাড়া যায়। এরপর যারা আপনার কন্টেন্ট দেখার জন্য উৎসাহী তারা আপনার একাউন্টের সাবস্ক্রিপশন কিনবে। বলা যেতে পারে এটি ইউটিউব এর মত কিন্তু শুধু আপনি সরাসরি অডিয়েন্স এর কাছ থেকে আপনার ইনকাম নিতে পারবেন।

সাবস্ক্রাইবশান কত টাকা হবে এটি সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে। তবে যত টাকাই হোক না কেন সাবস ডট কম তার থেকে 20% টাকা ফি হিসেবে নিয়ে থাকে। এই পদ্ধতি কি বলা হয় মাসিক সাবসক্রিপশন।

আবার আপনি চাইলে আপনার কনটেন্ট এর উপর টাকা রাখতে পারেন, অর্থাৎ আপনার অডিয়েন্স রা আপনার কোন একটি কন্টেন্ট ভিউ করার আগে পেমেন্ট দিয়ে তারপর করবে। এই পদ্ধতিকে বলা হয় পে-পার-ভিউ। এখানেও ডোনেশনের ব্যবস্থা রয়েছে।

অডিয়েন্সদের আপনার কনটেন্ট খুবই পছন্দ হলে তারা অতিরিক্ত টাকা ডোনেশন বা টিপ হিসেবে দিয়ে থাকে। এটিও ইনকাম করার আরেকটি পদ্ধতি। আপনি এখানে অডিও কল বা ভিডিও কলের জন্যও টাকা নিতে পারেন। এছাড়া রয়েছে রেফার করে আয় করার সুযোগ।

এই সাইট থেকে ইনকাম করার জন্য প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা প্রয়োজন। নিজের ইমেইল, গুগল একাউন্ট বা অ্যাপেল একাউন্ট দিয়ে প্রথম একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন। এরপর এই অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করে আপনার ব্যাংকের তথ্য এখানে যোগ করুন। এরপর ইনকাম করার জন্য আপনার সাবস্ক্রিবশনের প্রাইজ ঠিক করুন।

এছাড়া পে-পার-ভিউ কোন কোন কন্টেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে সেটিও ঠিক করুন। আপনার অ্যাকাউন্ট প্রমোট করতে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া আপনি ব্যবহার করতে পারেন। প্রতি সপ্তাহে আপনি এখান থেকে উপার্জিত টাকা উত্তোলন করতে পারবেন ক্লিয়ার ব্যাংক ব্যালেন্স অপশনে। অপশনটি বাছাই করার পর আপনি তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে আপনার টাকা আপনার ব্যাংকে পেয়ে যাবেন।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট

রিয়েল ফ্রী ইনকাম সাইট- Skool

এখান থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে প্রথমেই একটি কমিউনিটি গঠন করতে হবে। কমিউনিটিতে আপনার যত মানুষ আসবে আপনার ইনকাম তত বাড়বে। তবে কমিউনিটি হতে হবে এমন যাতে মানুষ এটার প্রতি উৎসাহী হয় এবং কিছু শিখতে পারে। এটি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে, অনলাইন ইনকাম নিয়ে, পড়াশোনা ও পরীক্ষা নিয়ে, এআই নিয়ে ইত্যাদি।

আপনার কমিউনিটিতে যারা জয়েন করবে তারা দুইভাবে করতে পারে। প্রথমত তারা মাসিক পেমেন্ট করতে পারে। অথবা তারা লাইফ টাইম পেমেন্ট করে আপনার কমিউনিটিতে যোগদান করতে পারে। সবচেয়ে মজার কথা হলো আপনার এই কমিউনিটি তৈরি করার জন্য আলাদা করে অন্য কোন সাইডে খুলতে হবে না। একই সাইটে আপনি কমিউনিটির কাজ করতে পারবেন।

সাইটে ঢুকে প্রথমে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলুন। এরপর মাসিক কত টাকা এবং লাইফটাইম কত টাকা সেটি ঠিক করুন। এরপর আপনার লেসন প্ল্যান বা আপনার কনটেন্ট স্ট্রাকচার তৈরি করুন। এখান থেকে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য আপনি আপনার কার্ড ব্যবহার করতে পারেন। সেটি স্কুল নিজেই দেখাশোনা করে।

আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার সেরা ১৫টি উপায়

রিয়েল ফ্রিতে ইনকাম সাইট- Ko-fi

কফির নাম শুনেই বুঝা যায় যে এটি কফির সাথে কোনভাবে সম্পর্কিত হতে পারে। আসলে ঠিক তাই। এই সাইটের বেশি আইডিয়া হচ্ছে মানুষ আপনাকে কফির দাম দিয়ে সাহায্য করবে। অর্থাৎ এটিকে বলা যেতে পারে ডোনেশন বা টিপস। তবে এর কাজ শুধু এখানেই শেষ নয়। আরো অনেক ভাবে এখানে ইনকাম করা যায়।

যেমনঃ ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে। এই ডিজিটাল প্রোডাক্ট হতে পারে কোন পিডিএফ, ছবি, ভিডিও, ওয়ালপেপার, এ আই প্রমট ইত্যাদি। ডিজিটাল প্রোডাক্টের একটি সুবিধা হল এটি একবার বানিয়েই বারবার বিক্রি করা যায়।

যেহেতু এখানে কন্টেন্টের আদান-প্রদান আছে সেহেতু আপনি চাইলে মেম্বারশিপ সাবস্ক্রিপশন চালু করতে পারেন আপনার একাউন্টে। যে কনটেন্ট গুলো একটু স্পেশাল সেগুলো দেখার জন্য মেম্বারশিপ চালু করলে আপনার আয় আরো বেড়ে যেতে পারে।

আপনি চাইলে এখানে অন্যদের কাজের সাহায্য করে কমিশন হিসেবে ইনকাম করতে পারেন। আবার আপনার কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে, সেই লক্ষ্য সবাইকে জানিয়ে ফান্ড রেইজ করার পদ্ধতিতে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন।

এখানে কোন ভেরিফিকেশন ছাড়াই গুগল বা ইমেইল দিয়ে সহজে একাউন্ট খোলা যায়। একাউন্ট খোলার পর আপনার তথ্য দিয়ে আপনি আপনার পেপালের বাস টাইপের অ্যাকাউন্ট এর সাথে সেট করে দিন। এক্ষেত্রে আপনি যে টাকা পাচ্ছেন এই সাইট থেকে তার সরাসরি আপনার একাউন্টে চলে আসবে।

যেহেতু প্রথম প্রথম আপনার অডিয়েন্স কম থাকবে বা থাকবেই না এর জন্য অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আপনি আপনার অডিয়েন্স বাড়াতে পারেন। যদি আপনি এখানে ফ্রি প্ল্যান নিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলেন তাহলে আপনার ফি ৫% গোল্ড প্ল্যান নিয়ে অ্যাকাউন্ট খুললে আপনার ফি দিতে হবে না।

রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট ২০২৬ সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ প্রতিদিন ১০০ ডলার আয় করার উপায় কি?

উত্তরঃ দিনে ১০০ ডলার আয় করার উপায় নিয়ে আমাদের সাইটে ইতিমধ্যে একটি পোস্ট রয়েছে। চাইলে পড়ে আসতে পারেন। আপনি যদি ডেইলি ১০০ ডলার আয় করতে চান তাহলে আপনাকে উচ্চ উপার্জনমুখী বিকল্পগুলো বেছে নিতে হবে। এই তালিকায় প্রথমে রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইনে টিউটরিং ও কোর্স বিক্রি, ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি, বাজার গবেষণায় অংশগ্রহণ ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ কিভাবে দ্রুত 300 ডলার আয় করা যায়?

উত্তরঃ আমরা আমরা অনেকেই আছি যারা দ্রুততম সময়ে ডলার ইনকাম করার কথা চিন্তা করি। হ্যাঁ, আপনি দ্রুত ৩০০ ডলার তখন আয় করতে পারবেন যখন আপনি বাজারে উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন কাজের ক্ষেত্র ও আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাতে পারবেন। এর মধ্যে অনলাইন ও অফলাইনে ব্যবসা শুরু করা, ফ্রিল্যান্সিং করা ড্রপ শিপিং বা সিপিএ মার্কেটিং, দক্ষতা ভিত্তিক পার্ট টাইম জব ইত্যাদি বিকল্পগুলো কার্যকর হতে পারে।

প্রশ্নঃ কিভাবে ঘরে বসে টাকা আয় করা যায়?

উত্তরঃ ঘরে বসে টাকা আয় করার জন্য আপনি বিভিন্ন উপায়ে অবলম্বন করতে পারেন। চাইলে আপনি ফুল টাইম কাজ বেছে নিতে পারেন অথবা পার্ট টাইম হিসেবে অবসর সময়ে করা যায় এমন কাজ বাছাই করতে পারেন। যেমনঃ মোবাইল অ্যাপ দিয়ে আপনার পুরাতন ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বিক্রি করা, সার্ভে করা, লেখালেখি করা, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যোগ দেওয়া বা একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটের হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।

প্রশ্নঃ মাত্র ১০ মিনিটে টাকা ইনকাম করার উপায় কি?

উত্তরঃ মাত্র ১০ মিনিটে টাকা ইনকাম করার একটি সহজ ও জনপ্রিয় উপায় হলো অনলাইনে বিভিন্ন জরিপ বা বাজার গবেষণায় অংশ নেওয়া। মোবাইল দিয়ে নির্ভরযোগ্য যেকোনো সার্ভে অ্যাপ বা সাইটে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করার পর, তাদের বাজার গবেষণায় অংশ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে, যা সাধারণত ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে হয়ে থাকে, প্রশ্নের উত্তর বা আপনার মতামত দিয়ে নগদ টাকা ইনকাম করতে পারেন।

লেখকের মতামত

প্রিয় পাঠক, রিয়েল ফ্রি ইনকাম সাইট ২০২৬ সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আপনি যদি অনলাইন ইনকাম শুরু করতে চান বা অনলাইন ইনকাম এর মধ্যে রয়েছেন তাহলে আজকের আর্টিকেলে উল্লেখিত ১০টি রিয়েল ইনকাম সাইট আপনার জন্য উপযুক্ত হবে। বর্তমান সময়ে হাজারো ফেক সাইটের ভিড়ে প্রতিটি সাইট নির্ভরযোগ্য ও ইউজারদের দ্বারা প্রমাণিত।

তাই অনলাইন থেকে ইনকামের জন্য নিঃসন্দেহে এই সাইটগুলো আপনার তালিকায় রাখতে পারেন। অনলাইন ইনকাম বিষয়ক এরকম আরো পোস্ট পেতে passiondrivefiona ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

passiondrivefiona র নীতিমালা মেনে comment করুন। প্রতিটি comment রিভিউ করা হয়;

comment url