মালয়েশিয়া কলিং ভিসা সর্বশেষ আপডেট 2026

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট 2026 সম্পর্কিত সর্বশেষ সকল সঠিক আপডেট জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এই প্রবন্ধে আমরা মালয়েশিয়া কলিং ভিসা বিষয়ক যাবতীয় তথ্য আপনাদের জানাবো। এছাড়া মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে 2026 সম্পর্কেও জানবেন।

মালয়েশিয়া-কলিং-ভিসা-আপডেট-2026

ভালো উপার্জনের আশায় কাজের উদ্দেশ্যে আমাদের দেশের কর্মীদের মালয়েশিয়া পছন্দের একটি গন্তব্য। এজন্য ২০২৬ সালে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে, মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট ২০২৬ সর্বশেষ তথ্য নিয়ে আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল। পোস্টস সূচিপত্রঃ

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট 2026

কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া গমন প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট 2026 সম্পর্কে সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ আড়াই বছর পর বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়া শ্রমবাজার খুলেছে। এর আগে ২০২৪ সালের ১লা জুন থেকে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট বা কলিং ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে।

যেহেতু বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে ইতিমধ্যে কলিং ভিসা কার্যক্রম সংক্রান্ত আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে নতুন করে অফিসিয়ালি মালয়েশিয়ার কলিং ভিসায় কর্মী নিয়োগের ঘোষণা এসেছে। এরই প্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা নিয়ে নানা মহলে বিভিন্ন ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান হতে যাচ্ছে।

অর্থাৎ অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, মালয়েশিয়া কলিং ভিসা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে বিষয়টি আগাম নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি বছর কলিং ভিসায় প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার (কম বেশি হতে পারে) কর্মী নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি বা ঘোষণা ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চালু হওয়ার সাথে সাথে এফডব্লিউসিএমএস ( FWCMS- Foreign Workers Centralized Management System) এবং মাইগ্রামস ( MiGRAMS- Migrant Management System) ইতিমধ্যে চালু হয়ে গিয়েছে।

অর্থাৎ এফডব্লিউসিএমএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার কলিং ভিসায় কর্মী নেয়ার সকল অনলাইন কার্যক্রম এর তারিখ ১৪ ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। যে সকল ধাপে কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ হবে তা নিচে দেয়া হলো-

১৪ই সেপ্টেম্বর- হাই কমিশনে দুইজন বেস্টিনেট অফিসার উপস্থিত থেকে On-Site সিস্টেম চালু ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাপোর্ট দিবে।

১৫ই সেপ্টেম্বর- (PRA- Private Recruitmnent Agency) অর্থাৎ রিক্রুটিং এজেন্সি গুলোকে নিবন্ধন ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

১৬ই সেপ্টেম্বর- ই এমবেসি, ই রিক্রুটমেন্ট ও বায়ো মেডিকেল অফিসিয়ালি করা চালু হবে।

১৭ই সেপ্টেম্বর- প্রাইভেট রিক্রুটিং এজেন্সি গুলোকে নিবন্ধন ও একটিভিশনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো শুরু হবে।

১৮ই সেপ্টেম্বর- যে সকল রিক্রুটিং এজেন্সি কাজ করবেন তাদের শ্রমিক নিবন্ধন ও কার্যক্রম বিষয়ে ট্রেনিং দেয়া হবে।

১৮ই সেপ্টেম্বর-মালয়েশিয়ার কোম্পানিগুলো এই এমবাসির মাধ্যমে কর্মী বরাদ্দ ও প্রত্যয়ন আবেদন জমা দিতে পারবে।

বিএমইটি ( BMET) পক্ষ থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার ইচ্ছুক কর্মীদের দালাল, এজেন্সি বা অন্যান্য যে কোন মাধ্যমে যে কোন প্রকার টাকা লেনদেন করার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলিং ভিসা সংক্রান্ত অন্যান্য যেকোনো সঠিক তথ্য জানতে জনশক্তি রপ্তানি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন। 

নিচে আপনাদের জন্য মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট 2026 এর গুরুত্বপূর্ণ আরো কয়েকটি দিক নিয়ে আলোচনা করা হলো।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে 2026

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে 2026 এর সঠিক তারিখ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যে সকল প্রবাসী ভাইয়েরা কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক। বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নাগরিকদের কাছে মালেশিয়া কলিং ভিসার চাহিদা অত্যন্ত বেশি। বৈধভাবে কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম হলো মালয়েশিয়া কলিং ভিসা। 

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা মূলতঃ কর্মী নিয়োগের উদ্দেশ্যে ওই দেশের কোন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি দেশটির সরকার কর্তৃক অনুমোদনপ্রাপ্ত হওয়ার পর ইস্যু করে থাকে। মালয়েশিয়া সরকার প্রতি বছর শ্রমিক নিয়োগের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ কোটা বা অনুমোদন দিয়ে থাকে। এই অনুমোদন পাওয়ার পর প্রতিটি কোম্পানি তাদের কাজের চাহিদার ভিত্তিতে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ করে থাকেন।

আরো পড়ুনঃ সৌদি আরব কোম্পানি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া 2026

এরপর বিদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়া যাওয়ার সকল কার্যক্রম প্রক্রিয়া শুরু করেন। সকল কার্যক্রম বৈধ ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর বিদেশী কর্মীরা ওই দেশে পাড়ি জমান। মালয়েশিয়া কলিং ভিসার মাধ্যমে বৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ। নিয়োগকর্তার দেশে যাওয়ার পর প্রতিটি শ্রমিক নিজ নিজ কাজে কোন রকম হয়রানি ও ঝামেলা ছাড়াই নিজেদের কাজে যোগদান করতে পারে।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের কর্মীরা টাকা উপার্জনের আশায় মালয়েশিয়া পাড়ি জমান। এ কারণে প্রতিবছর মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে এ বিষয়টি জানার জন্য সবাই অত্যন্ত আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালে কলিং ভিসা সম্পর্কিত প্রাথমিক আলাপ আলোচনা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকার শুরু করার পর নীতিগতভাবে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানার জন্য ও যে কোনো রকমের প্রতারণা থেকে দূরে থাকতে জনশক্তি রপ্তানি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা প্রক্রিয়া ২০২৬

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা প্রক্রিয়া 2026 শুরু করার অফিসিয়াল ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণার মাধ্যমে দুই দেশের সরকার কর্মী নিয়োগ ও প্রেরণ সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। নির্দিষ্ট তারিখ ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর একে একে কোন কোন ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ হবে, কর্মী নিয়োগের কোটা, খরচের পরিমাণ ইত্যাদি জানানো হবে। 

তবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে মালয়েশিয়ান বিভিন্ন কোম্পানি বা নিয়োগকর্তাগন ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী নিয়োগের জন্য জব লেটার অফার, কন্টাক্ট সহ অন্যান্য সকল আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম জানাবে।

তাই আপনি যদি কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে এ বিষয়ে বিশ্বস্ত মাধ্যমে যথাযথ খোঁজখবর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট বৈধ ও লাইসেন্স প্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করে শুধুমাত্র তাদের মাধ্যমে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করুন। দালাল বা কারো কথায় প্ররোচিত না হয়ে যেখানে সেখানে অগ্রিম টাকা লেনদেন করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬

মালয়েশিয়া যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার যাওয়ার উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে টাকা খরচের পরিমাণ কম বেশি হয়ে থাকে। কাজের ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার কত খরচ হতে পারে তার সম্ভাব্য একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ

কর্মী ভিসায় কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার আনুমানিক খরচ (এখনো সরকারিভাবে টাকার অংক নির্ধারিত হয়নি)-

কলিং ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ সরকারিভাবে সর্বনিম্ন- ৭৮৯৯০ টাকা ধরা হয়েছে

এজেন্সি বা বেসরকারিভাবে মালয়েশিয়া কাজের ভিসার খরচ- ৩ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা, অনেক ক্ষেত্রে এর বেশি হতে পারে।

সরকারিভাবে যাওয়ার নির্ধারিত খরচের মধ্যে রয়েছে মেডিকেল ফি ও পাসপোর্ট তৈরি, বিএমইটি ( BMET- Bureau of Manpower, Employment and Trainig) নিবন্ধন ও স্মার্ট কার্ড তৈরি খরচ, জীবন বীমা করা বাবদ ফি, প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের ফি, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সেবা বাবদ খরচ।

সতর্কতাঃ অতিরিক্ত টাকা খরচের আগে বিশেষ সতর্ক থাকুন। এজন্য বিএমইটি কর্তৃক অনুমোদিত ও লাইসেন্স প্রাপ্ত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কাজ করুন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার মেডিকেল কবে চালু হবে ২০২৬

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার মেডিকেল কবে চালু হবে ২০২৬ এ বিষয়ে যাদের কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার আগ্রহ রয়েছে তারা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। ১৪ ই সেপ্টেম্বর থেকে কলিং ভিসার কার্যক্রম প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার প্রেক্ষিতে কলিং ভিসার জন্য আগ্রহী বিদেশগামীদের মেডিকেল বা শারীরিক ফিটনেস এর প্রমাণপত্র পরীক্ষা কবে শুরু হতে পারে তার সম্ভাব্য তারিখ জানা গিয়েছে।

আরো পড়ুনঃ সৌদি আরবে কোম্পানি ভিসা আবেদন, বেতন কত 2026

যেহেতু এফডব্লিউসিএমএস এর মাইগ্রামস মেডিকেল স্লিপ সেপ্টেম্বর ১৮-১৯ তারিখ ইস্যু করা হবে হবে, এর ভিত্তিতে

২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর প্রতিটি কর্মী নির্দিষ্ট মেডিকেল সেন্টারগুলোতে মেডিকেল করতে পারবেন বলে আশা করা যায়।

এজন্য দেশের ৩টি প্রধান বিভাগীয় শহর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেটের নির্দিষ্ট কিছু মেডিকেল সেন্টারে আগ্রহীদের মেডিকেল করার জন্য প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে আরো তথ্য জানার জন্য বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সি কয়টি

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার কার্যক্রম এর জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ও লাইসেন্স প্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সি কয়টি ও কি কি এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরী। কলিং ভিসা কার্যক্রমের জন্য সঠিক জায়গায় গেলে স্বচ্ছ ও নির্ভেজালভাবে ভিসা প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করা যাবে এবং এর ফলে হয়রানির কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

সাধারণত মালয়েশিয়া কলিং ভিসা প্রক্রিয়া মালয়েশিয়ার এফডব্লিউসিএমএস ( FWCMS- Foreign Workers Centralized Management System) এর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। এফডব্লিউসিএমএস বাংলাদেশে লাইসেন্স প্রাপ্ত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ এই ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি সরাসরি মালেশিয়ান প্রশাসনের সাথে কাজ করবে। 

আরো ৩১২টি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসল ( BOESL- Bangladesh Overseas Employment Services Limited) সহ মোট ৩৩৮ টি এজেন্সির মাধ্যমে কলিং ভিসার সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। লাইসেন্স প্রাপ্ত এ সকল রিক্রুটিং এজেন্সি সরকারি আইন কানুন মেনে সকল কাজ সম্পন্ন করবে। এর বাইরে আরও যে সকল রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে তাদেরকে লাইসেন্স প্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সকল কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

তবে প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি সরাসরি মালয়েশিয়ার এফডব্লিউসিএমএস সাথে কাজ করবেন। কাজের নিয়ম কানুন, কিভাবে কাজ শুরু করবে, মেডিকেল কোটা, কাজের এলোকেশন, কাজ করার প্রক্রিয়া সহ যাবতীয় সকল কিছু এফডব্লিউসিএমএস এর নির্দেশনা মোতাবেক এজেন্সি গুলো সম্পন্ন করবে।

তাই কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার ইচ্ছুকদের কোনরকম গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ধারিত সঠিক রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা কার্যক্রম সংক্রান্ত সকল কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়।

কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা/শর্ত সমূহ

কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার ভিসা প্রত্যাশীরা অবশ্য পালনীয় কিছু সাবধানতা/করণীয় মেনে চললে ভিসা প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। তাছাড়া এই সকল সাবধানতার কারণে প্রতারক চক্র থেকে দূরে থাকতে পারবেন, এর ফলে আপনার অতি কষ্টে জমানো টাকা নষ্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। এছাড়া ভিসা প্রক্রিয়া কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আরো কিছু বিষয় বা শর্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় আনার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

যে সকল সাবধানতা ও করণীয়গুলো মেনে চলা দরকার তা হল-

  • কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য অতি দ্রুত ভিসা হওয়ার আশায় নামে/বেনামে যে কোন এজেন্সিকে নিজের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, পাসপোর্ট ও টাকা জমা থেকে বিরত থাকুন। শুধুমাত্র সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির আন্ডারে ভিসা প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করুন। এতে করে আপনার প্রতারিত হওয়ার ভয় থাকবে না।
  • ভিসা প্রক্রিয়া করণের নামে সকল প্রকার সিন্ডিকেট থেকে দূরে থাকুন।
  • সরকার ঘোষিত নির্দিষ্ট তারিখে ও নির্দিষ্ট মেডিকেল সেন্টারে নিজের ফিটনেস এর প্রমাণপত্রের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
  • স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ফিট হওয়ার জন্য এখন থেকেই ধূমপান, অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। পর্যাপ্ত ঘুমান, ভাল খাওয়া দাওয়া এবং অসুস্থ থাকলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।
  • স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অযোগ্য হলে জোর করে ফিটনেস সার্টিফিকেট নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
  • ভিসা প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমনঃ জন্ম সনদ, জাতীয় পরিচয় পত্র, শিক্ষা সনদ, পাসপোর্ট ও ছবি প্রস্তুত রাখা।
  • মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে আপনার বৈধ জব লেটার অফার, কন্টাক্ট লেটার, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সকল কিছু ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেওয়া।
  • প্রয়োজনে মালয়েশিয়ার কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত ভিসা বিষয়ে ভালোভাবে খোঁজখবর নেওয়া।
  • ভিসা আসার বা হওয়ার পর ভালোভাবে চেক করে তারপর সকল প্রকার লেনদেন করা।
  • মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে যে কোন প্রকার অবৈধভাবে কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। নাহলে মালয়েশিয়া যাওয়ার পর অবৈধ ঘোষণা করা হবে এবং দেশে ফেরত পাঠাবে।
শর্ত সমূহঃ

  • বর্তমানে মালয়েশিয়ান কোম্পানিগুলো দক্ষ শ্রমিক নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিচ্ছে, তাই কর্মী ভাইদের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে (মালয়েশিয়ান কোম্পানির চাহিদা মোতাবেক) দক্ষতা অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
  • মালয়েশিয়ান কোম্পানিগুলো খুব কম সময়ের মধ্যে কর্মী নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। এতে করে কম সময়ের মধ্যে দক্ষ শ্রমিকরা মালয়েশিয়া যেতে পারবে। তাই স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিজের দক্ষতা বাড়ানো সহ সকল কিছু প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কি

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা, এমন একটি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা যার মাধ্যমে ওই দেশের কোন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি সরকারের অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে বিদেশী কোনো কর্মী কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারে। মালয়েশিয়া কলিং ভিসা হল একটি বৈধ কাজের ভিসা। মূলতঃ এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি কোন কর্মী যেমনঃ বাংলাদেশের, ওই দেশের নির্দিষ্ট কোন কাজের জন্য অনুমতি পান ও বৈধভাবে দেশে প্রবেশ করতে পারে।

সাধারণত মালয়েশিয়ার কলিং ভিসার জন্য সে দেশের কোন নিয়োগকর্তা সরকার বা ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য অনুমতি বা কোটা পান। এরপর কোন কর্মীর পাসপোর্টে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিডিআর ( VDR) বা "ভিসা উইথ রেফারেন্স" ইস্যু করা হয়। এরপর এই ভিসা পাওয়ার মাধ্যমে বিদেশী কোন কর্মী মালয়েশিয়া যাওয়ার সকল ভিসা প্রক্রিয়া করার কাজ শুরু করতে পারেন। অর্থাৎ মেডিকেল বা সুস্থতার প্রমাণপত্র সহ যাবতীয় কাজ শুরু করতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ কুয়েত এক টাকা বাংলাদেশের কত টাকা ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় যেতে সাধারনত দুই রকমের খরচ হয়ে থাকে। সরকারিভাবে যেতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৭৮৯৯০ টাকা নির্ধারিত। তবে এজেন্সির মাধ্যমে যেতে ৩ লাখ থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে প্রতারণা এড়ানোর জন্য সরকারি ভাবে বা সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রক্রিয়ার কাজ করা।

বর্তমানে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা পুরোপুরি চালু না হলেও দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কলিং ভিসা প্রক্রিয়ার সাধারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কলিং ভিসার মানে কি

কলিং ভিসার মানে হল বিদেশে কাজ করার একটি বৈধ অনুমোদন পত্র বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। এই ভিসা বিদেশের কোন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি সেদেশে সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে অন্য কোন নির্দিষ্ট দেশের কর্মীর নামে ইস্যু করে। অর্থাৎ এটি একটি বৈধ ও নিরাপদ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা যা সাধারণত নিয়োগকর্তার দেশের সরকারের নিকট থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত। 

এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশের কোন কর্মী ওই দেশে বৈধভাবে কাজ করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করার অনুমতি পায়। সহজ ভাবে বলতে গেলে, যখন কোন বিদেশি কোম্পানি কাজের উদ্দেশ্যে ওই দেশের সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে আপনার নামে ওয়ার্ক পারমিট এর ব্যবস্থা করে সেটাই হলো কলিং ভিসা। এই ভিসার মাধ্যমে কোন কর্মী ওই দেশে বৈধভাবে প্রবেশের সুযোগ পায়।

কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া সহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কলিং ভিসা চালু রয়েছে। কাজ করার জন্য বৈধভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় কলিং ভিসায় বিদেশে যেতে বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের নাগরিকদের বেশি আগ্রহ দেখা যায়।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার জন্য গমন ইচ্ছুক প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখতে হবে। যদিও অন্যান্য ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে হলে কাগজপত্রের কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।আপনি যদি কলিং কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন হবে তার একটি তালিকা নিচে দেখে নিন-
  • একটি বৈধ পাসপোর্ট (পাসপোর্ট এর অন্তত ২ বছর মেয়াদ থাকতে হবে, সম্ভব হলে ই পাসপোর্ট করে রাখা ভালো, কারণ ই পাসপোর্ট এর মেয়াদ সর্বনিম্ন ১০ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে)
  • পুরনো পাসপোর্ট (যদি থাকে)
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি ৪ কপি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে তুলতে হবে)
  • কলিং লেটার এর ফটোকপি
  • আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল রিপোর্ট
  • আপনার নিয়োগকর্তার সাথে চাকরি বা কাজের চুক্তিপত্র
  • জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো কর্তৃক ছাড়পত্র
  • শিক্ষাগত ও দক্ষতার সার্টিফিকেট (বিশেষ বিশেষ কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে)

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার কাজের তালিকা

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা সকল আপডেট ২০২৬ সম্পর্কে জানার সাথে সাথে এখন আমরা জানব কলিং ভিসার আওতায় কোন কোন কাজ বা চাকরি রয়েছে এ বিষয়ে। বিদেশী শ্রমিকদের নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তারা কর্মী নিয়োগ দিয়ে থাকে। এজন্য দক্ষতা অনুযায়ী আপনি কোন কাজের ক্যাটাগরিতে পড়েন বা কাজ পাবেন এ বিষয়ে শুরু থেকে অবগত হওয়া ভালো। 

কাজের দক্ষতা ছাড়াও অনেক সময় কিছু চাকরির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হতে পারে। এখন পর্যন্ত জানা তথ্য মতে মালয়েশিয়া সরকার বিভিন্ন সেক্টর অনুযায়ী ৬টি খাতে কলিং ভিসায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। প্রধান প্রধান খাতের আওতায় আরো অনেকগুলো ক্যাটাগরি রয়েছে।

চলুন তাহলে নিচে দেখে নেওয়া যাক মালয়েশিয়া কলিং ভিসার প্রধান কাজের খাতের তালিকা ও তাদের ক্যাটাগরি সম্পর্কে-

১.কৃষি খাতঃ কৃষি খাতে তালিকার আওতাধীন কাজের মধ্যে রয়েছে-

  • নার্সারি কাজ
  • ফল ও সবজি চাষ
  • গবাদি পশু পালন করা ও খামার পরিচর্যা করা
২. নির্মাণ খাতঃ নির্মাণ খাতে যে সকল কাজ রয়েছে তা হলো-
  • রড মিস্ত্রী ও রাজমিস্ত্রির কাজ
  • প্লাম্পার ও ইলেকট্রিশিয়ান এর কাজ
  • রং করা বা পেইন্টিং এর কাজ
  • নির্মাণ কাজের জন্য সাধারণ হেলপার হিসেবে কাজ
৩. ফ্যাক্টরি খাতঃ ফ্যাক্টরি খাতে যেসকল কর্মী কলিং ভিসা নেয়া হয় তা হল-
  • কারখানার সাধারণ শ্রমিক হিসেবে কাজ
  • মেশিন অপারেটর এর কাজ
  • প্রোডাক্ট প্যাকেজিং ও লেবেলিং করার কাজ
  • প্রোডাক্ট এর মান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কাজ
৪. বাগান খাতঃ বাগান খাতের আওতাধীন যেসকল কাজ রয়েছে তা হলো-
  • পাম বাগানের কাজ- বাগান পরিচর্যা ও ফলকাটা
  • রাবার বাগান এর পরিচর্যার কাজ
  • অন্যান্য গাছের পরিচর্যার কাজ
  • মালামাল লোড করা ও আনলোড করার কাজ
৫. সেবা খাতঃ সেবা খাতের ক্যাটেগরি গুলো দেখে নিন-
  • পরিছন্নতা কর্মীর কাজ
  • হোটেল ও রিসোর্টের কর্মীর কাজ
  • ওয়েটার ও হাউসকিপিং এর কাজ
  • সিকিউরিটি গার্ড এর কাজ
৬.অন্যান্য খাতঃ অন্যান্য খাতের মধ্যে রয়েছে-
  • লন্ড্রি সার্ভিস দেওয়ার কাজ
  • গুদামের কাজ ইত্যাদি

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট ২০২৬ সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়া কাজের ভিসায় যেতে কত বছর বয়স লাগে?

উত্তরঃ কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে সাধারণ কর্মীদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৮ বছর ও সর্বোচ্চ ৪৫ বছর বয়স এর মধ্যে হতে হয়।

প্রশ্নঃ কিভাবে মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা চেক করা যায়?

উত্তরঃ সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে আপনার মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা চেক করতে পারেন। এজন্য প্রথমে মালয়েশিয়া সরকারের ইমিগ্রেশন সাইট MYIMMs e-services পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এরপর আপনার পাসপোর্ট নাম্বার, দেশের নাম ও আরো কিছু তথ্য দিয়ে সাবমিট করলে আপনার কলিং ভিসার বর্তমান আপডেট অনলাইনে চেক করে নিতে পারেন।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়ায় সর্বোচ্চ বেতন কত?

উত্তরঃ মালয়েশিয়ায় সর্বোচ্চ বেতন এর পরিসীমা নির্দিষ্ট নয়। কারণ কাজের ক্ষেত্র, পদমর্যাদা, পেশা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে বেতন নির্ধারিত হয়ে থাকে। তবে একজন শীর্ষ নির্বাহীর বেতন সাধারণত বছরে ১৫ লক্ষ রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ান মুদ্রা) এবং জেনারেল ম্যানেজারের বেতন ৬ লক্ষ টাকার উপরে হতে পারে। আবার সাধারণ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম মাসিক বেতন ১৭০০ রিংগিত থেকে শুরু করে ৪ হাজার ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে ৮ হাজার কিংবা এর বেশি হতে পারে।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়ার কোন ভিসা ভালো?

উত্তরঃ কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য কলিং ভিসা বা বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সবচেয়ে নিরাপদ। আপনি যদি পড়াশোনার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে স্টুডেন্ট ভিসা ভালো হবে। ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য শর্ট টার্ম ভিসা সবচেয়ে উপযুক্ত। এছাড়া আপনার যদি টার্গেট থাকে মালয়েশিয়াতে দীর্ঘমেয়াদি থাকার তাহলে "মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম" বা MM2H ভিসা ভালো অপশন।

লেখকের মতামত

প্রিয় পাঠক, মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট 2026 সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে আপনাদের বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করেছি। আপনাদের যাদের ইতিমধ্যে কলিং ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার আগ্রহ রয়েছে তাদের জন্য আজকে প্রবন্ধটি উপকারী হবে বলে আশা করি। মালয়েশিয়া কলিং ভিসার সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট তথ্য আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পেরেছেন।

বৈধ ও নিরাপদ ভাবে উপার্জনের আশায় মালয়েশিয়া কলিং ভিসা হল সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম। এই ভিসার মাধ্যমে আপনারা বৈধভাবে কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই মালয়েশিয়া প্রবেশ করে নিজেদের চুক্তি অনুযায়ী কাজে নিযুক্ত হতে পারবেন। তবে কলিং ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম নির্ধারিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে পরামর্শ দেওয়া হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

passiondrivefiona র নীতিমালা মেনে comment করুন। প্রতিটি comment রিভিউ করা হয়;

comment url